সীমান্ত সুরক্ষিত না হওয়া পর্যন্ত ভারত ও পশ্চিমবঙ্গ- কোনোটিই নিরাপদ থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। একই সঙ্গে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি বরাদ্দে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার গড়িমসি করেছিল বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) শিলিগুড়িতে দেশটির সশস্ত্র সীমা বলের (এসএসবি) ফ্রন্টিয়ার সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন অমিত শাহ।
তিনি বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে ২০১৪ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে ১ হাজার ১২৯ একর জমি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন সেই জমি দেয়া হয়নি। পরে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওই জমি পাওয়া গেছে।
অমিত শাহ বলেন, বিএসএফের মাধ্যমে সীমান্তে বেড়া নির্মাণের জন্য জমি দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আমার মরিয়া আবেদনগুলো কোনো কাজে আসেনি। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে ২০১৪ সাল থেকে আমি ১ হাজার ১২৯ একর জমি চেয়ে আসছিলাম। শেষমেশ রাজ্যে শুভেন্দু অধিকারী সরকার গঠিত হওয়ার পরই আমরা সেই জমি পেয়েছি।
এদিন এসএসবির অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিরও প্রশংসা করেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, এর আগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর এমন অনুষ্ঠানে অংশ নেননি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসএসবি কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অনুষ্ঠানে আগের মুখ্যমন্ত্রীদের অনুপস্থিতি একটি ভুল বার্তা দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ ছাড়া স্বাধীনতার পর থেকে জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’-কে যথাযথ স্বীকৃতি না দেয়ার জন্য বিভিন্ন সরকারকেও সমালোচনা করেন অমিত শাহ।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর ভারতে ‘বন্দে মাতরম’-এর পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ কখনো গাওয়া হয়নি, চলতি বছরের স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় প্রথমবারের মতো এর পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ গাওয়া হয়েছে।
