দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার বাইরে ছররা গুলিতে (পেলেট গান) আহত এক শিক্ষার্থীকে নিয়ে অবস্থান ধর্মঘটে (ধর্না) বসেছেন ভারতের লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে ছররা গুলি ব্যবহারের ঘটনায় মামলা (এফআইআর) নিতে অস্বীকৃতি জানানোর প্রতিবাদে তিনি ধর্নায় বসেন। শুক্রবার সকালের এ ঘটনায় থানা চত্বরে ব্যাপক রাজনৈতিক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ খবর দিয়েছে এনডিটিভি ও ইন্ডিয়া টুডে।
শুক্রবার সকালে রাহুল গান্ধী ছররা গুলিতে আহত ১৯ বছর বয়সী শিক্ষার্থী সাহিল লোচাব ও তার মাকে সাথে নিয়ে ডিসিপি কার্যালয়ে যান এবং ঘটনার প্রেক্ষিতে নিয়মিত মামলা দায়েরের দাবি জানান। তবে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে এফআইআর গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে রাহুল গান্ধী থানার বাইরে বসে পড়েন এবং এফআইআর দায়ের না হওয়া পর্যন্ত সেখান থেকে না সরার ঘোষণা দেন। পরবর্তীতে তার বোন ও ওয়েনাড়ের এমপি প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারাও এই অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, গত ২০ জুলাই যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চলাকালে সাহিলের ওপর ছররা গুলি দিয়ে আঘাত করে পুলিশ। এতে তার একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে জবাবদিহিতা দাবি করে বলেন, শান্তিপূর্ণ শিক্ষার্থীদের ওপর এমন প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের নির্দেশ কে দিয়েছিল তা প্রকাশ করতে হবে। অন্যদিকে দিল্লি পুলিশ ছররা গুলি ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট ইতোমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে।
