পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ইসলামাবাদে অবস্থিত শেফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শুক্রবার ভোরে পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরানকে ফের রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে ফিরিয়ে নেয়া হয়। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডন।
গত মঙ্গলবার পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির এক বেঞ্চ কারাবন্দি ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা মূল্যায়নে তাকে দুদিনের মধ্যে হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী শুক্রবার ভোরে তাকে পিটরাস বোখারি রোড দিয়ে হাসপাতালে নেয়া হয়। ইমরানের আগমন ঘিরে হাসপাতাল এলাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়। প্রায় ৮০০ পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি আশপাশের রাস্তাগুলো ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়। কারা কর্তৃপক্ষের মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী, ৭৩ বছর বয়সী এই সাবেক ক্রিকেটারের রক্তচাপের ওঠানামা, মাথাব্যথা ও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
এছাড়া তার চোখের দৃষ্টিশক্তি নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছে। চিকিৎসকরা তার মানসিক চাপ কমাতে পরিবারের সাথে নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ এবং বই-পত্রিকা পড়ার সুযোগ দেয়ার সুপারিশ করেছেন। ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে থাকা ইমরানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে তার দল পিটিআই। হাসপাতালে নেয়ার নির্দেশের বিরুদ্ধে সরকার সুপ্রিম কোর্টে পুনর্বিবেচনার আবেদন করলেও নথিপত্র অসম্পূর্ণ থাকায় তা ফেরত দেয় আদালত।
