পরকীয়ায় বাধা দেয়া ও যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার ৮ বছর পর স্বামী একরামুল হক ওরফে চুট্টুকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। ?বৃহস্পতিবার ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এএনএম মোর্শেদ খান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি একরামুল হক চুট্টু দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের মালেক মাস্টারবাড়ীর সৈয়দ আহমদের ছেলে। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।
?মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১১ই জানুয়ারি ফেনী পৌরসভার বারাহীপুর এলাকার আরজিনা আক্তারের সঙ্গে একরামুল হক চুট্টুর বিয়ে হয়। বিবাহের কিছুদিন পর থেকেই চুট্টু অন্য এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়লে দাম্পত্য জীবনে কলহ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সে স্ত্রী আরজিনার পরিবারের কাছে ৩ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আরজিনার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন বাড়তে থাকে। এরই জেরে ২০১৮ সালের ২৬শে আগস্ট রাতে নির্যাতনের একপর্যায়ে আরজিনা মৃত্যুবরণ করেন। পরদিন ২৭শে আগস্ট পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করে। ঘটনার পর নিহত আরজিনার মামা মীর হোসেন দুলাল বাদী হয়ে একরামুল হক চুট্টুকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের বিরুদ্ধে দাগনভূঞা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
