কোটালীপাড়ায় জমির উপর রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ

ফন্ট সাইজ:

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের ফসলি জমির উপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে। ফসলি জমির উপর দিয়ে রাস্তা নিতে বাধা দেয়ায় ওই পরিবারকে মামলায় জড়িয়ে দেয়াসহ বিভিন্ন ভয়ভীতি দেয়া হচ্ছে। সরজমিন উপজেলার রামশীল ইউনিয়নের খাগবাড়ী গ্রামে গিয়ে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসে এমপি কোটায় খাগবাড়ী টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে উপেন চৌধুরীর বাড়ি হয়ে জহরের কান্দি শেষ অংশের রাস্তা মাটি দ্বারা নির্মাণ প্রকল্পের বরাদ্দ নেয়া হয়। উক্ত প্রকল্পের সভাপতি রামশীল ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান কাজী স্থানীয় মিলন কান্তি হালদারের ফসলি জমির উপর দিয়ে রাস্তার কাজ শুরু করেন।

এ সময় মিলন কান্তি হালদার তার ফসলি জমির উপর দিয়ে রাস্তা নিতে বাধা দিলে বিএনপি নেতা ও তার লোকজন তাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেয়াসহ বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখায়। এ ব্যাপারে উপেন চৌধুরীর ছেলে পরিমল চৌধুরীর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এলাকায় একটা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ রয়েছে। আমাদের এলাকায় যাতায়াতের জন্য কোনো রাস্তা নেই। ফলে এলাকার ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া তথা যাতায়াতের জন্য একটি রাস্তা একান্ত প্রয়োজন। আমাদের এমপি এসএম জিলানী রাস্তা করার জন্য একটি প্রকল্প দিয়েছেন। এলাকার উন্নয়নের জন্য আমাদের সকলেরই ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। মিলন কান্তি হালদার বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য রাস্তা প্রয়োজন। তবে বিএনপি নেতা আমার ফসলি জমির উপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করছে। শুধু তাই নয় আমি বাধা দিলে তার লোকজন নিয়ে আমাকে দেখে হুমকি দিয়েছে। রামশীল ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান কাজী জানান, এলাকার মানুষের যাতায়াতের জন্য কোনো রাস্তা নেই। বছরের অধিকাংশ সময় তাদের নৌকায় চলাচল করতে হয়। তাই এমপি কোটায় বরাদ্দ দিয়ে রাস্তাটি নির্মাণ করা হচ্ছে। রাস্তাটি নির্মাণকাজ শেষ হলে এলাকাবাসী উপকৃত হবে। তিনি আরও জানান, আমরা রাস্তার শুরু করার আগে মিলনকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তিনি রাস্তা করার অনুমতি দিয়েও বিরোধিতা করছেন। তবে আমি তাকে হুমকি দেইনি।