প্রশংসা করলো চীন: আনোয়ার ইব্রাহিমের এক-চীন নীতির প্রতি দৃঢ় অবস্থানের ঘোষণা

প্রশংসা করলো চীন: আনোয়ার ইব্রাহিমের এক-চীন নীতির প্রতি দৃঢ় অবস্থানের ঘোষণা

ফন্ট সাইজ:

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের 'এক-চীন নীতি'র প্রতি দৃঢ় সমর্থন ও অবস্থানের ভূয়সী প্রশংসা করেছে বেইজিং। দেশটির স্টার অনলাইনসহ প্রায় সবকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, তাইওয়ান ইস্যুতে আনোয়ার ইব্রাহিমের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে চীন বলেছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এই নীতি অনুসরণের ধারাবাহিকতা মোটেও টলানো যাবে না।

সম্প্রতি আল জাজিরাকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানান, "আমি তাইওয়ানকে চীনের অংশ হিসেবেই দেখি এটি এক-চীন নীতি এবং এটি সবাই মেনে নিয়েছে।" চীন যদি তাইওয়ানের সাথে পুনঃএকত্রীকরণের জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে, তবে সেটিকে কীভাবে দেখবেন— এমন প্রশ্নের জবাবে আনোয়ার ইব্রাহিম নিজের দেশের উদাহরণ টেনে বলেন, মালয়েশিয়ার কোনো প্রদেশ যদি দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চায়, তবে দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় তিনিও বাধ্য হয়ে শক্তি প্রয়োগ করবেন।

সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ড রক্ষায় একটি রাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিক বলেই উল্লেখ করেন তিনি। আনোয়ার ইব্রাহিমের এই মন্তব্য প্রকাশের পর চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বেইজিংয়ে আয়োজিত নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, "বিশ্বে একটিই চীন রয়েছে এবং তাইওয়ান চীনের ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এক-চীন নীতির প্রতি সমর্থন জানানোই হচ্ছে বিশ্ববাসীর গণ আকাঙ্ক্ষা এবং সঠিক অবস্থানের প্রতীক।" তিনি আরও যোগ করেন, চীনের এই পুনঃএকত্রীকরণ প্রক্রিয়া ঐতিহাসিক এবং কোনো শক্তিই তা রুখতে পারবে না।

একই কথা চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টেও প্রকাশ করা হয়। অন্য দিকে, আনোয়ারের এই অবস্থানের কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে, এক বিবৃতিতে তাইওয়ান বলেছে, এই ধরনের মন্তব্য চীনের সামরিক আগ্রাসনকে সমর্থন করার শামিল এবং এটি তাইওয়ানে মালয়েশীয় বিনিয়োগের পরিবেশে প্রভাব ফেলতে পারে।