দীর্ঘদিনের এশীয় মিত্র দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে পূর্বনির্ধারিত যৌথ সামরিক মহড়া উল্লেখযোগ্য হারে কমানোর জন্য পেন্টাগনকে নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। মহড়ার অতিরিক্ত ব্যয়, ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে সিউলের অস্বীকৃতি এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সাথে নিজের চমৎকার সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি এই নির্দেশ দেন। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
বার্ষিক ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ মহড়া শুরুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প জানান, এই ধরনের ব্যয়বহুল মহড়ায় অংশ নেয়ার সিদ্ধান্তে তিনি একেবারেই খুশি নন। তিনি দাবি করেন, এই মহড়া উত্তর কোরিয়ার প্রতি একটি ‘অনুপযুক্ত ও শত্রুতামূলক’ বার্তা দেয়, অথচ তার মেয়াদে পিয়ংইয়ং কোনো হুমকি তৈরি করেনি। এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, ইরানকে পরমাণুমুক্ত করার অভিযানে ওয়াশিংটনের সাথে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে আহ্বান জানানো হলেও সিউল তাতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সোমবার থেকেই প্রায় ১৮ হাজার সেনার অংশগ্রহণে তাদের নিয়মিত মহড়া শুরু হয়েছে।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য নিয়ে সিউলের প্রেসিডেন্সিয়াল কার্যালয় কিংবা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক শিথিল করতে এবং পিয়ংইয়ংয়ের সাথে নতুন কূটনৈতিক সুযোগ তৈরি করতেই ট্রাম্প মিত্র দেশের সাথে সামরিক দূরত্ব বাড়ানোর এমন পদক্ষেপ নিচ্ছেন।
