ডারউইনে নিজেদের তৃতীয় প্রচেষ্টায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক ৯ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এটি বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়। অজিদের বিপক্ষে সব মিলিয়ে সাত ম্যাচে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় টেস্ট জয়। ম্যাচটির গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিসংখ্যান মানবজমিন পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।
তৃতীয় ম্যাচ: ইংল্যান্ডের (২) পর ছাড়া মাত্র দ্বিতীয় দল হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জিততে সবচেয়ে কম ম্যাচ (৩) খেলার রেকর্ড গড়লো বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকাও জয়ের মুখ দেখে তাদের তৃতীয় প্রচেষ্টায়।
১০৭৫ উইকেট: ডারউইন টেস্টে নামার আগে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের বোলারদের ক্যারিয়ার উইকেটের মোট ব্যবধান। এর চেয়ে বেশি ব্যবধান ছিল মাত্র দুটি টেস্টে- ২০২৪ সালে পার্থে ভারতের জয়ের সময় (১২৪৭) এবং ব্রিসবেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের সময় (১১১১)।
৩টি ঘটনা: গত ১৫ বছরের মধ্যে টস জিতে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট হারের এটি মাত্র তৃতীয় ঘটনা। অন্য দুটি ২০২০-২১ সালে ভারতের বিপক্ষে মেলবোর্ন ও ব্রিসবেনে।
১০ উইকেট: অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের পেসাররা ১০ উইকেট তুলে নেয়। টেস্ট ইনিংসে টাইগার পেসারদের সবকটি উইকেট নেয়ার এটি মাত্র দ্বিতীয় ঘটনা। ম্যাচে মোট ১৪ উইকেট নেন টাইগার পেসাররা।
৯/১১১: হাসান মাহমুদের ম্যাচ ফিগার বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে দ্বিতীয় সেরা। প্রথম ইনিংসে তার ৬/৫৫ বোলিং ফিগার টেস্টে বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে তৃতীয় সেরা। অজি ভূমিতে অভিষেকে এটি যেকোনো বিদেশি বোলারের তৃতীয় সেরা ম্যাচ ফিগার। সিডনিতে ১৯২৪-এ মরিস টেট ও ১৯৯০-এ মেলবোর্নে ওয়াসিম আকরাম দুজনেই নেন ১১ উইকেট।
২০১৯ সালের পর প্রথম: ২০১৯ সালের পর (কুলদীপ যাদবের পর) অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম বিদেশি স্পিনার হিসেবে পাঁচ উইকেট নিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এছাড়া ম্যাচটিতে একটি ফিফটি ও পাঁচ উইকেট শিকার করেন মিরাজ, যা তার টেস্ট ক্যারিয়ারে চতুর্থ এবং দেশের বাইরে দ্বিতীয়বার।
৯: অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টেস্টে ৩০০ উইকেট নেয়া নবম ক্রিকেটার এখন জশ হ্যাজেলউড। টেস্ট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো একাদশে চারজন বোলার (নাথান লায়ন, মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স এবং পরে হ্যাজলউড) ৩০০ বা তার বেশি উইকেটের মাইলফলক নিয়ে মাঠে নামেন।
৩টি জয়: অধিনায়ক হিসেবে নাজমুল হোসেন শান্তর দেশের বাইরে টেস্ট জয়ের সংখ্যা, যা বাংলাদেশি অধিনায়কদের মধ্যে সর্বোচ্চ।
