রাশিয়া মুহুর্মুহু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইউক্রেনে। আক্রমণ ঠেকানোর জন্য ইউক্রেন জরুরি ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র চেয়েছে। তবে দেশটিকে বর্তমানে চাহিদার মাত্র ১০ ভাগ ইন্টারসেপ্টর প্রদান করা হবে বলে সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে থাকা প্যাট্রিয়ট মিসাইল মজুতের মাত্র ৫ ভাগ ইউক্রেনের কাছে বিক্রি করা হলেই দেশটি আসন্ন শীতকাল নিরাপদে পার করতে পারবে এবং ১০ ভাগ বিক্রি করলে রাশিয়ার সব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা সম্ভব হবে বলেও তিনি দাবি করেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন সিএনএন। জেলেনস্কি জানান, ২০২৫ সালের তুলনায় এ বছর তাদের কাছে ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা আড়াই গুণ কমে গেছে।
অন্যদিকে রাশিয়া আগের তুলনায় প্রতি মাসে দ্বিগুণ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। বিশেষ করে কিয়েভকে লক্ষ্য করে নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমানে তাদের হাতে মার্কিন মজুতের মাত্র ১ ভাগ ইন্টারসেপ্টর রয়েছে। এই সংখ্যা ৫ ভাগে উন্নীত করার জন্য তিনি প্রতিদিন মিত্রদের সাথে অগণিত টেলিফোন কল করছেন এবং নানামুখী অপ্রকাশ্য আলোচনা ও চুক্তি চালিয়ে যাচ্ছেন। ইরানের সাথে চলমান সংকটের কারণে বিশ্বজুড়ে ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এর সবচেয়ে বড় খেসারত দিতে হচ্ছে ইউক্রেনকে।
ইউক্রেন যাতে নিজেরাই প্যাট্রিয়ট মিসাইল তৈরি করতে পারে, সে বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প লাইসেন্স দেওয়ার আশ্বাস দিলেও বিষয়টি এখনও বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি, পরবর্তীতে ট্রাম্প বিষয়টি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। এছাড়া ডনবাসের ভূখণ্ড রাশিয়ার হাতে ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেছেন জেলেনস্কি। একই সাথে তিনি সতর্ক করে বলেন, যুদ্ধ থামানোর উপযুক্ত পথ না পেলে পুতিন ভবিষ্যতে ন্যাটোভুক্ত ছোট কোনো দেশেও নতুন করে আগ্রাসন চালাতে পারেন।
