ময়মনসিংহের তারাকান্দায় বিয়ের প্রলোভনে এক তরুণীকে ধর্ষণ ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে তারাকান্দা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ১৯ বছর বয়সী ওই তরুণী। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের একটি মহিলা মাদ্রাসায় কর্মরত থাকার সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে হাফেজ মো. রিয়াদ হাসানের সঙ্গে ওই তরুণীর পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সখ্য গড়ে ওঠে। গত ১লা আগস্ট রিয়াদ হাসান বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তরুণীকে ফুলপুর উপজেলার একটি এলাকায় তার এক বন্ধুর বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে তিনদিন অবস্থান করেন। পরে ৫ই আগস্ট রিয়াদ তরুণীকে তারাকান্দার কুশিয়াধারা গ্রামে তার বোনজামাই আবুল কালামের বাড়িতে নিয়ে যান।
অভিযোগে বলা হয়, ৮ই আগস্ট রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। পরে তরুণী বিয়ের জন্য চাপ দিলে ওই দিন বিকালে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়। ঘটনার পর তরুণী তারাকান্দায় বাবার বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। পরদিন ৯ই আগস্ট দুপুরে তিনি তার স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে অভিযুক্তদের বাড়িতে গেলে অভিযুক্তরা তাদের গালিগালাজ ও মারধর করে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে ৯ই আগস্ট তারাকান্দা থানায় উপস্থিত হয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য লিখিত অভিযোগ দেন। এ বিষয়ে তারাকান্দা থানার ওসি আবদুর রাশিদ জানান, লিখিত অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
