লোহিত সাগরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুনভাবে রূপ দেয়ার দৃঢ় প্রচেষ্টা হিসেবে ৫০টি দেশকে নিয়ে সৌদি নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠাতা ও সমর্থক দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব, বাংলাদেশ, মিশর, ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার, সোমালিয়া, জিবুতি, সুদান, জর্ডান, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও নাইজেরিয়া। সংখ্যার বিচারে এটি একটি বড় জোট। তবে শক্তির বণ্টন, ভৌগোলিক বাস্তবতা এবং এই জলপথে চলমান প্রকৃত হুমকির ধরন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতাকে কার্যকর সামরিক সক্ষমতায় রূপ দিতে এই উদ্যোগকে বড় ধরনের সমস্যার মুখে পড়তে হবে। কয়েক মাসের মধ্যেই এই প্রকল্প রাজনৈতিক বক্তব্যের একটি মহড়ায় পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে- যা পরে সীমিত পর্যায়ের গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং মাঝে মধ্যে যৌথ বিবৃতিতে নেমে আসতে পারে।
বর্তমানে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ কোনো প্রচলিত নৌযুদ্ধ নয়; বরং ইয়েমেনের উপকূল থেকে আসা একটি হুমকি। আনসারাল্লাহ, অর্থাৎ হুতি আন্দোলন, ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ পশ্চিমাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করে। এর মধ্যে রয়েছে হোদেইদা বন্দর এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালির দিকে যাওয়া সামুদ্রিক পথ। জাহাজবিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র, বিস্ফোরকবোঝাই ড্রোনবোট এবং আকাশপথের ড্রোন ব্যবহার করে জাহাজে হামলা চালানোর সক্ষমতা ইতিমধ্যে হুতিরা দেখিয়েছে।
এখন বিশ্বাসযোগ্য গোয়েন্দা তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে, বাব আল-মান্দেব দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের কাছ থেকে ট্রানজিট টোল আদায়ের মাধ্যমে নিজেদের প্রভাবকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে হুতিরা। এই মডেলটি স্পষ্টতই হরমুজ প্রণালিতে ইরানের চর্চার অনুকরণ করছে এবং প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ক্ষেত্রে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসির পরামর্শমূলক সহায়তাও রয়েছে। যে নিরাপত্তা কাঠামো এই বাস্তবতাকে কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে পারে না, সেটি মূলত অলংকারসর্বস্ব।
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনি সরকারের জোটে অংশগ্রহণ কূটনৈতিক বৈধতার আবরণ এবং রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের প্রতীকী ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে। কিন্তু যেখানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেখানে সামুদ্রিক নিরাপত্তায় এই সরকারের প্রকৃত অবদান অত্যন্ত সীমিত। হুতি হুমকির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লোহিত সাগরের কোনো গুরুত্বপূর্ণ বন্দরই স্বীকৃত ইয়েমেনি সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই। তাদের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ মূলত দেশের দক্ষিণাঞ্চল এবং এডেন উপসাগরের কিছু অংশে সীমাবদ্ধ। বাব আল-মান্দেবের বিপরীত উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর অবকাঠামো কিংবা হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণের উপকূলীয় ঘাঁটিগুলোর ওপরও তাদের কোনো কর্তৃত্ব নেই।
হুতিদের হামলা কিংবা তাদের টোল আদায়ের ব্যবস্থাকে প্রতিহত, বাধাগ্রস্ত বা সে সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে এই সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে- এমন প্রত্যাশা বাস্তবতার ভুল পাঠ। জোটে ইয়েমেনি সরকারের অন্তর্ভুক্তির মূল উদ্দেশ্য রাজনৈতিক। এটি একটি বহুপাক্ষিক কাঠামোর মধ্যে ঐক্যবদ্ধ ইয়েমেন রাষ্ট্রের ধারণা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীকী ধারাবাহিকতা বজায় রাখে। কিন্তু সৌদি পতাকাবাহী জাহাজ কিংবা আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষায় এটি কোনো নির্ণায়ক কার্যকর সক্ষমতা যোগ করে না।
সোমালিয়ার অংশগ্রহণকেও একইভাবে বাস্তবতার আলোকে মূল্যায়ন করতে হবে। সোমালিয়া এই জোটের স্বাক্ষরকারী দেশ হলেও দেশটির প্রাসঙ্গিক উপকূল মূলত এডেন উপসাগর ও ভারত মহাসাগরমুখী; লোহিত সাগরের কেন্দ্রীয় অংশের সঙ্গে এর সরাসরি ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই। মোগাদিশু থেকে বাব আল-মান্দেব প্রণালির দূরত্ব প্রায় এক হাজার মাইল। গুরুত্বপূর্ণ হুমকির এলাকাটি গোটা এডেন উপসাগর দ্বারা সোমালিয়ার সামুদ্রিক অঞ্চল থেকে বিচ্ছিন্ন।
জলদস্যুতা, অবৈধ মাছ ধরা এবং সাধারণ সামুদ্রিক অপরাধ মোকাবিলায় সোমালিয়ার বৈধ স্বার্থ রয়েছে। কিন্তু হুতিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র চলাচলের এলাকায় দীর্ঘমেয়াদি নৌ শক্তি মোতায়েন করার মতো সক্ষমতা থাকা কোনো মূল লোহিত সাগরীয় উপকূলীয় শক্তি নয় সোমালিয়া। সোমালিয়ার নৌবাহিনী এখনো ব্যাপকভাবে বহিরাগত সহায়তার ওপর নির্ভরশীল এবং নিজস্ব উপকূলীয় নিরাপত্তার তাৎক্ষণিক দায়িত্বেই ব্যস্ত। ইরান-সমর্থিত নির্ভুল হামলার বিরুদ্ধে লোহিত সাগরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সোমালিয়াকে সামনের সারির শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করা তাই বাস্তবতার তুলনায় অতিরঞ্জিত- এটি ভৌগোলিক নৈকট্যকে কার্যকর সামরিক সক্ষমতার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলার শামিল।
জোটের গঠন আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ অনুপস্থিতির দিকও তুলে ধরে। বাব আল-মান্দেবের পশ্চিম তীরে অবস্থিত আফ্রিকার যে দেশটি সরাসরি এই প্রণালির বিপরীতে অবস্থান করছে, সেটি জোটে নেই। একইভাবে অনুপস্থিত রয়েছে সেই উপসাগরীয় দেশটি, যারা সাম্প্রতিক সময়ে ইয়েমেনের উপকূল ও সামুদ্রিক নিরাপত্তায় সবচেয়ে ব্যাপক বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। ইয়েমেন ও আফ্রিকার হর্ন অঞ্চলের উপকূলে বন্দর নিরাপত্তা, স্থানীয় বাহিনীকে প্রশিক্ষণ এবং চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনায় দেশটির সরাসরি অভিজ্ঞতা রয়েছে।
এই দেশটির দক্ষতা, গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক এবং দ্রুত মোতায়েনযোগ্য সম্পদই অসম হুমকির বিরুদ্ধে এই কাঠামোকে বাস্তব কার্যকারিতা দেয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হতে পারত। কিন্তু সেই অভিজ্ঞতা এবং বাব আল-মান্দেবের নিকটবর্তী আফ্রিকান ভূগোল- উভয়ই অনুপস্থিত। ফলে জোটটি মূলত এমন সব দেশকে ব্যবহার করে দূর থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রণালি নিরাপদ করার চেষ্টা করছে, যাদের অনেকেরই যুদ্ধক্ষেত্রের কাছাকাছি সরাসরি প্রবেশাধিকার নেই।
মিশরের অবস্থান পরিবর্তন এই উদ্যোগের পেছনে থাকা রাজনৈতিক শক্তিগুলোর চিত্র আরও স্পষ্ট করে। জোট গঠনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে মিশর ও ইরিত্রিয়া এমন একটি নীতির প্রচার করছিল, যেখানে বলা হয়েছিল, লোহিত সাগরের নিরাপত্তা ও শাসনব্যবস্থা কেবল উপকূলীয় দেশগুলোর একচেটিয়া বিষয় হওয়া উচিত। সেখানে স্পষ্টভাবে উপকূলীয় নয়- এমন দেশগুলোর অংশগ্রহণ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।
কিন্তু এখন মিশর সেই অবস্থান ত্যাগ করে সৌদি নেতৃত্বাধীন এমন একটি কাঠামোয় যোগ দিয়েছে, যেখানে তুরস্ক, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও নাইজেরিয়ার মতো লোহিত সাগরে উপকূল নেই- এমন দেশও রয়েছে। এই অবস্থান পরিবর্তন মূলত প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতাকেই প্রতিফলিত করে। ইরিত্রিয়াকে বাইরে রেখে মিশরের জোটে যোগদান সৌদির সঙ্গে প্রকৃত নীতিগত ঐকমত্যের চেয়ে বরং নিজের প্রভাব কমে যাওয়া ঠেকানোর একটি প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ বলেই বেশি মনে হয়।
একই জলসীমায় অতীতের বহুপাক্ষিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা উদ্যোগগুলোও খুব বেশি আশাবাদী হওয়ার কারণ দেয় না। কম্বাইন্ড মেরিটাইম ফোর্সেসের লোহিত সাগরকেন্দ্রিক শাখা কম্বাইন্ড টাস্ক ফোর্স ১৫৩ ২০২২ সাল থেকেই সক্রিয়। এটি তথ্য আদান-প্রদান ও নৌ-কূটনীতির ক্ষেত্রে কিছু উন্নতি করেছে ঠিকই, কিন্তু ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বাণিজ্যিক জাহাজে হুতিদের হামলা বাড়তে বাধা দিতে পারেনি। বাব আল-মান্দেব দিয়ে জাহাজ চলাচলের একটি অংশ হুতিরা যখন কার্যত অচল করে দিয়েছিল, তখনও এই বাহিনী তা ঠেকাতে পারেনি।
হুতিরা জানে, নৌ জোটগুলো ধীরগতিতে কাজ করে, তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ম ও বিধিনিষেধের মধ্যে পরিচালিত হয় এবং সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক সীমারেখার কারণে তাদের হাত-পা বাঁধা থাকে। তারা বারবার এমন পরিস্থিতি তৈরি করেছে, যেখানে নিজেদের তুলনামূলক কম বিনিয়োগের বিপরীতে বহুগুণ বেশি ক্ষতি চাপিয়ে দেয়া সম্ভব হয়েছে।
আরও বড় একটি জোট, যার সদস্যদের অনেকেই আরও দূরে অবস্থিত, এই অসমতা দূর করে না। বরং এতে সমন্বয়ের সমস্যা আরও বাড়তে পারে এবং রাজনৈতিক মতবিরোধের ক্ষেত্রও বিস্তৃত হতে পারে। এই কাঠামো থেকে ইথিওপিয়ার বাদ পড়া তাৎক্ষণিক সামরিক সক্ষমতার বাইরেও একটি বড় দুর্বলতা তৈরি করছে। ইথিওপিয়া আফ্রিকার হর্ন অঞ্চলের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি ও জনসংখ্যার দেশগুলোর একটি এবং দেশটির বাণিজ্যিক জীবনরেখা এই জলপথের ওপর নির্ভরশীল। ইথিওপিয়া বুঝতে পেরেছে, সমুদ্রে প্রবেশাধিকার শুধু অর্থনৈতিক বিষয় নয়; এটি কৌশলগত এবং অস্তিত্বের সঙ্গেও জড়িত।
সাম্প্রতিক সময়ে সমুদ্রসীমা ও লোহিত সাগরের দ্বীপাঞ্চল নিয়ে নিজেদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা এগিয়ে নেয়ার বিষয়টি দেখিয়ে দিচ্ছে, ইথিওপিয়া এখন সামুদ্রিক ব্যবস্থার একজন সরাসরি অংশীদার হিসেবে নিজের অবস্থান প্রতিষ্ঠা করতে চায়। একই সঙ্গে তারা কার্যত বলছে, তাদের উপস্থিতি ছাড়া যে টেবিল সাজানো হয়েছে, সেটিরই বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ।
এ অঞ্চলের জনসংখ্যা ও অর্থনীতির অন্যতম প্রধান শক্তিকে বাদ দিয়ে এমন একটি নিরাপত্তা কাঠামো তৈরি করা, যেখানে হাজার হাজার মাইল দূরের দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে- কিন্তু যারা এই এলাকায় কখনো নিয়মিত সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখবে না- তা কাঠামোগতভাবে ভারসাম্যহীন।
মূল বিষয় হলো, লোহিত সাগরে দীর্ঘস্থায়ী একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা তৈরি করতে হলে বাব আল-মান্দেব দিয়ে অবিচ্ছিন্ন বাণিজ্যিক চলাচলের ওপর যেসব দেশের বাণিজ্য, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন নির্ভরশীল, তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন থাকতে হবে।
দূরের দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক শক্তিকে বাদ দেয়া জোটটির বৈধতা ও স্থানীয় মালিকানার ধারণাকেই দুর্বল করে দেয়- যা যেকোনো টেকসই নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য অপরিহার্য। লোহিত সাগরের করিডোরকে ঘিরে নেয়া সিদ্ধান্তগুলো সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বিরোধিতার মুখে পড়বে। আর সেই বিরোধিতাই জোটটির আঞ্চলিক ঐকমত্যের প্রতিনিধিত্ব করার দাবিকে ধীরে ধীরে ক্ষয় করবে।
তাই সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের পরিণতি হঠাৎ ধসে পড়া নয়; বরং ধীরে ধীরে গুরুত্ব ও কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলার সম্ভাবনাই বেশি। উচ্চাকাক্সক্ষা ও বাস্তব সক্ষমতার মধ্যে যে বিশাল ব্যবধান রয়েছে, তার সঙ্গে যোগ হবে সমন্বয়ের জটিলতা। ফলে খুব দ্রুতই জোটটির কার্যকর সামরিক প্রাসঙ্গিকতা কমে আসতে পারে। সদস্য দেশগুলো কূটনৈতিক দায় এড়াতে যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকুই অবদান রাখবে। কিন্তু এমন কোনো পদক্ষেপ নিতে তারা চাইবে না, যাতে তাদের জাহাজ যুদ্ধের ঝুঁকিতে পড়ে অথবা তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে কোনো হামলার জন্য দায়ী হতে হয়।
এই জোট সৌদি জাহাজকে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র, ইরানি ড্রোন কিংবা জলদস্যুতার ঝুঁকি থেকে এমন কোনো মৌলিক উপায়ে রক্ষা করতে পারবে না, যা ইতিমধ্যে চালু থাকা বিভিন্ন দেশের নিজস্ব নৌ-এসকর্ট অভিযান ও জাহাজ চলাচলের রুট পরিবর্তনের ব্যবস্থা থেকে একেবারে আলাদা। ইয়েমেনের উপকূলে হুতিদের অসম নিয়ন্ত্রণকে উপেক্ষা করা, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনি সরকারের সক্ষমতাকে অতিমূল্যায়ন করা, সবচেয়ে অভিজ্ঞ উপসাগরীয় নিরাপত্তা শক্তিকে বাইরে রাখা এবং কাঠামোগতভাবে ইথিওপিয়াকে বাদ দেয়া- সব মিলিয়ে এটি একটি অকার্যকর পরিকল্পনার দিকে এগিয়ে যাওয়ার রেসিপি।
বর্তমান কাঠামোয় এই জোট আসলে সমুদ্রে চলমান নিরাপত্তা সমস্যার সমাধান নয়; বরং সৌদি নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার একটি রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর।
(লেখক গবেষক, ইথিওপিয়ার অনলাইন হর্ন রিভিউ থেকে অনুবাদ)
