দিল্লির ছায়া পেরিয়ে বিশ্বমঞ্চে: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নতুন মানচিত্র

দিল্লির ছায়া পেরিয়ে বিশ্বমঞ্চে: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নতুন মানচিত্র

ফন্ট সাইজ:

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি শুধু ভারতকে কেন্দ্র করে নির্ধারণ করার সুযোগ এখন আর নেই। বাস্তবতা হলো, এমন একমুখী নীতি বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থও রক্ষা করতে পারবে না। তবে এর অর্থ ভারতকে উপেক্ষা করা কিংবা দেশটির সঙ্গে বৈরিতায় জড়ানো নয়। বরং ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান, ন্যায্যতা ও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রেখেই বাংলাদেশকে তার কূটনৈতিক দিগন্ত আরও বিস্তৃত করতে হবে। কারণ আজকের পৃথিবীতে বন্ধুত্বের চেয়ে স্বার্থ, আবেগের চেয়ে অর্থনীতি এবং স্থায়ী আনুগত্যের চেয়ে পরিবর্তনশীল অংশীদারিত্ব অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ভারত বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিবেশী। দুই দেশের মধ্যে রয়েছে দীর্ঘ সীমান্ত, নদী, ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং অর্থনৈতিক যোগাযোগ। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একই সঙ্গে এটিও সত্য যে, সীমান্ত হত্যা, তিস্তার পানিবণ্টন, বাণিজ্যঘাটতি, অশুল্ক বাধা, আন্তঃসীমান্ত নদীর ব্যবস্থাপনা এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি দুই দেশের সম্পর্কে দীর্ঘদিন ধরে অস্বস্তি সৃষ্টি করেছে। বন্ধুত্ব তখনই টেকসই হয়, যখন সেখানে উভয় পক্ষের মর্যাদা ও স্বার্থের স্বীকৃতি থাকে। একটি দেশ যদি সম্পর্ককে স্থায়ী প্রভাববলয় হিসেবে দেখে, আর অন্য দেশটি যদি নিজের নিরাপত্তার জন্য নীরব আনুগত্যকে কৌশল মনে করে, তবে সেই সম্পর্ক কখনো প্রকৃত অংশীদারিত্বে রূপ নেয় না।

বাংলাদেশের সামনে এখন বড় প্রশ্ন দেশটি কি দক্ষিণ এশিয়ার একটি প্রান্তিক রাষ্ট্র হয়ে থাকবে, নাকি বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক অর্থনীতি, যোগাযোগ ও কৌশলগত রাজনীতির একটি সক্রিয় কেন্দ্রে পরিণত হবে? ভৌগোলিক অবস্থান বাংলাদেশকে এমন এক সুবিধা দিয়েছে, যা এই অঞ্চলের অনেক দেশের নেই। বাংলাদেশ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত। একদিকে ভারত, নেপাল ও ভুটান; অন্যদিকে মিয়ানমার হয়ে আসিয়ান অঞ্চল। সামনে বঙ্গোপসাগর, যার মাধ্যমে ভারত মহাসাগর এবং বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ।

বঙ্গোপসাগর এখন আর শুধু মাছ, গ্যাস কিংবা সমুদ্রবন্দরের বিষয় নয়। এটি বৈশ্বিক বাণিজ্য, জ্বালানি পরিবহন, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং বৃহৎ শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। ভারত এই সাগরকে তার প্রাকৃতিক কৌশলগত পরিসর মনে করে। চীন বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের মাধ্যমে অবকাঠামো ও যোগাযোগে প্রভাব বাড়াতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র ও তার অংশীদাররা অবাধ নৌচলাচল এবং একটি উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিকের কথা বলছে। জাপান মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরসহ অবকাঠামো ও শিল্পায়নে যুক্ত। ইউরোপীয় ইউনিয়নের আগ্রহ বাণিজ্য, শ্রমমান, সবুজ রূপান্তর ও মানবাধিকারে। এই বহুমুখী আগ্রহকে হুমকি হিসেবে না দেখে বাংলাদেশের দর-কষাকষির শক্তিতে পরিণত করতে হবে।

বাংলাদেশের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চে দেশের পণ্যবাণিজ্যে চীন ছিল সবচেয়ে বড় অংশীদার, এরপর ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র। এই চিত্রই প্রমাণ করে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক কোনো এক দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। চীন থেকে আসে শিল্পের যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল ও প্রযুক্তিপণ্য। ভারত থেকে বাংলাদেশ তুলা, খাদ্যপণ্য, জ্বালানি, রাসায়নিক এবং শিল্পের বিভিন্ন উপকরণ আমদানি করে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি বাজার। ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের পণ্যবাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার; এর মধ্যে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৯ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। অর্থাৎ উৎপাদনের সরবরাহব্যবস্থা একদিকে, রপ্তানির বাজার অন্যদিকে। এই বাস্তবতায় একমুখী পররাষ্ট্রনীতি অর্থনৈতিকভাবেও আত্মঘাতী।

বিশ্ব অর্থনীতি এখন মুক্তবাণিজ্যের আদর্শ দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে না। শুল্ক, নিষেধাজ্ঞা, প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং সরবরাহব্যবস্থাকে পররাষ্ট্রনীতির অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বড় শক্তিগুলো মুখে নিয়মভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থার কথা বললেও নিজেদের শিল্প ও বাজার রক্ষায় তারা ক্রমেই সংরক্ষণবাদী হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতিযোগিতা শুধু সামরিক নয়; এটি সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিরল খনিজ, বন্দর, ডিজিটাল অবকাঠামো ও বাজার নিয়ন্ত্রণের লড়াই। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দেখিয়েছে, দূরের সংঘাতও বাংলাদেশের জ্বালানি, খাদ্য ও বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা সরাসরি প্রভাব ফেলে তেলের দাম, প্রবাসী আয় এবং সমুদ্রপথে।

তাই বাংলাদেশের কূটনীতিকে শুধু রাষ্ট্রীয় সফর, যৌথ বিবৃতি কিংবা উন্নয়ন প্রকল্পের প্রতিশ্রুতির মধ্যে আটকে রাখলে চলবে না। পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রে আনতে হবে অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে। কোন দেশ থেকে কাঁচামাল আসবে, কোথায় বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি হবে, নতুন কর্মসংস্থান কোন শিল্পে তৈরি হবে, প্রযুক্তি কোথা থেকে পাওয়া যাবে এবং সংকটের সময় খাদ্য ও জ্বালানির বিকল্প উৎস কী হবে এসব প্রশ্নই এখন আধুনিক কূটনীতির মূল বিষয়।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তির কাঠামো এবং বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক ১৯ শতাংশে নামিয়ে আনার সমঝোতা দেখিয়েছে, সক্রিয় অর্থনৈতিক কূটনীতি বাজার সুরক্ষায় কতটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কিছু শর্ত বাংলাদেশের জন্য কঠিন এবং এসব চুক্তিতে অসমতার ঝুঁকিও রয়েছে। তারপরও বিষয়টি স্পষ্ট রপ্তানি বাজার টিকিয়ে রাখতে কূটনৈতিক দর-কষাকষির বিকল্প নেই। একই কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নে এলডিসি-পরবর্তী বাজারসুবিধা, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে নতুন বাজার অনুসন্ধান জরুরি।

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কও আবেগ নয়, বাস্তব স্বার্থ দিয়ে পরিচালিত হওয়া উচিত। অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, রেল, সেতু, শিল্পের যন্ত্রপাতি ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জামে চীন গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। কিন্তু ঋণের শর্ত, প্রকল্পের ব্যয়, প্রযুক্তি হস্তান্তর, স্থানীয় কর্মসংস্থান এবং পরিবেশগত প্রভাব যাচাই না করে কোনো প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত নয়। চীনের বিনিয়োগ প্রয়োজন, কিন্তু নির্ভরতা নয়। একই নীতি ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, জাপান কিংবা অন্য যেকোনো অংশীদারের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে হবে।

দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য শিক্ষণীয়। শ্রীলঙ্কা দেখিয়েছে, দুর্বল অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা এবং অস্বচ্ছ বৈদেশিক ঋণ কীভাবে একটি রাষ্ট্রকে গভীর সংকটে ফেলতে পারে। মালদ্বীপে ভারত ও চীনের প্রতিযোগিতা অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকেও বিভক্ত করেছে। নেপাল দুই বৃহৎ প্রতিবেশীর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করলেও ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হয়। পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তাকেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারেনি। আফগানিস্তানের ইতিহাস প্রমাণ করে, বৃহৎ শক্তির প্রক্সি প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র হয়ে গেলে শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মূল্য দিতে হয় সাধারণ মানুষকে।

বাংলাদেশের তাই কোনো বলয়ে যোগ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন বিষয়ভিত্তিক অংশীদারিত্বের। বাণিজ্যে এক দেশের সঙ্গে, প্রযুক্তিতে অন্য দেশের সঙ্গে, জ্বালানিতে আরেক দেশের সঙ্গে এবং জলবায়ু ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বহুপক্ষীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করা যেতে পারে। এটিই কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন। নিরপেক্ষতা মানে নিষ্ক্রিয় থাকা নয়; বরং প্রতিটি বিষয়ে নিজের জাতীয় স্বার্থ অনুসারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা।

একই সঙ্গে ভারতবিরোধিতাকে পররাষ্ট্রনীতির বিকল্প হিসেবে হাজির করাও বিপজ্জনক। ভারতকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের আঞ্চলিক যোগাযোগ, পানি ব্যবস্থাপনা, সীমান্ত নিরাপত্তা কিংবা নেপাল-ভুটানের সঙ্গে স্থলবাণিজ্য পূর্ণতা পাবে না। কিন্তু ভারতের সহযোগিতা প্রয়োজন বলেই বাংলাদেশের ন্যায্য দাবি বিসর্জন দিতে হবে এমন যুক্তিও গ্রহণযোগ্য নয়। তিস্তার পানিবণ্টন, সীমান্তে প্রাণহানি বন্ধ, বাণিজ্যে সমতা এবং ট্রানজিট-ট্রান্সশিপমেন্টে পারস্পরিক লাভ নিশ্চিত করতে দৃঢ় আলোচনা প্রয়োজন। দিল্লিকে বুঝতে হবে, বাংলাদেশের জনগণের আস্থা ছাড়া দুই দেশের সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হবে না।

দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতাকেও নতুন করে ভাবতে হবে। সার্ক প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়েছে মূলত ভারত-পাকিস্তান বিরোধের কারণে। কিন্তু প্রায় দুইশ’ কোটি মানুষের এই অঞ্চল বিশ্বে সবচেয়ে কম আন্তঃসংযুক্ত অঞ্চলগুলোর একটি। বিদ্যুৎ বাণিজ্য, জলবায়ু অভিযোজন, খাদ্য নিরাপত্তা, নদী ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য, রেল ও সড়ক যোগাযোগে সহযোগিতা বাড়ানো গেলে পুরো অঞ্চল লাভবান হবে। সার্কের অচলাবস্থার পাশাপাশি বিমসটেক, বিবিআইএন এবং ভারত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক কাঠামোগুলোকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে হবে। মিয়ানমার সংকট ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনেও শুধু দ্বিপক্ষীয় আশ্বাসের ওপর নির্ভর না করে চীন, ভারত, আসিয়ান, জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইসলামী সহযোগিতা সংস্থাকে সমন্বিত চাপের মধ্যে আনতে হবে।

পররাষ্ট্রনীতি কোনো সরকার, দল কিংবা বিশেষ গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়। এটি রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির নকশা। সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে যদি আন্তর্জাতিক অগ্রাধিকার আমূল বদলে যায়, তবে বিদেশি অংশীদাররা বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতিকে বিশ্বাসযোগ্য মনে করবে না। জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে রাজনৈতিক ঐকমত্য, পেশাদার কূটনৈতিক সক্ষমতা, শক্তিশালী গবেষণা এবং সংসদীয় জবাবদিহি প্রয়োজন। বৈদেশিক চুক্তির লাভ-ক্ষতি জনগণের কাছে স্পষ্ট করাও জরুরি।

বাংলাদেশকে ভারত, চীন বা যুক্তরাষ্ট্রের চোখ দিয়ে বিশ্বকে দেখলে চলবে না। বিশ্বকে দেখতে হবে বাংলাদেশের চোখ দিয়ে। যে সম্পর্ক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, রপ্তানি বাড়াবে, প্রযুক্তি আনবে, জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা অক্ষুণ্ন রাখবে সেই সম্পর্কই বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজনীয়।

ভারত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী থাকবে, কিন্তু পররাষ্ট্রনীতির একমাত্র কেন্দ্র হতে পারে না। বাংলাদেশের কেন্দ্র হতে হবে বাংলাদেশ নিজেই। বন্ধুত্ব থাকবে সবার সঙ্গে, কিন্তু নির্ভরতা কারও ওপর নয়; সহযোগিতা হবে বহুমুখী, কিন্তু সিদ্ধান্ত হবে স্বাধীন। পরিবর্তিত বিশ্বে এটাই বাংলাদেশের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং বাস্তবসম্মত পথ।

লেখক: সহিদুল আলম স্বপন, সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বেসরকারি ব্যাংকিং আর্থিক অপরাধ বিশেষজ্ঞ কলামিস্ট ও কবি।
ইমেইল: [email protected]

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন