দু’দিন পর ভারতীয় নাগরিক দীপঙ্করকে থানায় হস্তান্তর

দু’দিন পর ভারতীয় নাগরিক দীপঙ্করকে থানায় হস্তান্তর

ফন্ট সাইজ:

দু’দিন পর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ থানার চাউলহাটি তশনপাড়া এলাকার মিশ্রিলাল গোপের ছেলে দীপঙ্কর গোপ (৩৫)কে পঞ্চগড় সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। রোববার বিকালে সদর উপজেলার মাগুরমারী সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের পর তাকে হস্তান্তর করা হয়। সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের বিরাজোত এলাকার বাসিন্দা তমিজ উদ্দিন (৭৮)কে বিএসএফ ধরে নিয়ে যাওয়ার জের হিসেবে তার ছেলে, আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসী সীমান্ত এলাকার ভারতীয় এক চা বাগান থেকে দীপঙ্কর গোপকে গত শনিবার সকালে ধরে নিয়ে এসে তাদের হেফাজতে রাখে।

তমিজ উদ্দিনকে ছেড়ে না দিলে দীপঙ্করকে ছাড়া হবে না বলে তারা অনড় অবস্থান নেয়। তবে বিজিবি ও পুলিশ কর্তৃপক্ষ নানাভাবে বোঝানোর পর তারা দীপঙ্করকে থানায় হস্তান্তর করতে রাজি হয়। এ নিয়ে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে একাধিক পতাকা বৈঠক হয়। বৈঠকে সমাধান না হওয়ায় স্থানীয়রা ওই ভারতীয় নাগরিককে বিজিবি’র হাতে তুলে দেয়। বৃদ্ধ তমিজ উদ্দিন গত বুধবার সকালে গরু খুঁজতে খুঁজতে ভুল করে সাতমেরা সীমান্তে ভারতীয় কাঁটাতারের বেড়ার কাছে চলে যান। এ সময় টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। স্থানীয়রা জানায়, তমিজ উদ্দিন বয়স্ক ব্যক্তি। তিনি কানে কম শোনেন।

ঠিকমতো হাঁটতেও পারেন না। গরু খুঁজতে গিয়ে সীমান্তের কাঁটাতারের কাছাকাছি চলে যাওয়ার পর বিএসএফ তাকে ধরে নিয়ে যায়। তমিজ উদ্দিনের ছেলে আজাহার আলী বলেন, আমার বাবা কিছুই করেনি। গরু খুঁজতে গেছিল। আমার বাবা বয়স্ক লোক, শুনতে পায় না, চলতে পারে না। কীভাবে কী হয়েছে কিছুই জানি না। আমার বাবাকে ফিরে পেতে চাই। যদি আমার বাবাকে না দেয় তাহলে ভারতীয় ওই লোককে যেন ফেরত না দেয়া হয়। এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আশীষ কুমার শীল বলেন, আটক দীপঙ্কর গোপকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বিএসএফ তমিজ উদ্দিনকে ভারতের রায়গঞ্জ থানায় হস্তান্তর করেছে। দীপঙ্করের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন