বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ব্যাপকহারে কাঁচামরিচ আমদানি হওয়ায় প্রভাব পড়েছে বেনাপোলের খুচরা বাজারে। রোববার বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। যা গতকাল বাজারে প্রতি কেজি ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এতে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে গত ৫ চালানে ৮০ টন কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছে। গত সোমবার প্রথম চালানে রাত ৮টার দিকে একটি ভারতীয় ট্রাকে ৯.২ টন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দ্বিতীয় চালানে তিনটি ট্রাকে ৪২.২২ টন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একটি ট্রাকে ১৪ টন ও শনিবার সন্ধ্যায় একটি ট্রাকে ১৫ টন কাঁচামরিচ বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করে। ফলে বাজারে কাঁচামরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়।
মরিচ আমদানিকারক আমিনুল ইসলাম জানান, বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কাঁচামরিচের ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ কমে যায়। ফলে দেশের বাজারে কাঁচামরিচের দাম ৩০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। তিনি জানান, ভারত থেকে প্রতি টন কাঁচামরিচ ৩০০ ডলার মূল্যে আমদানি করা হচ্ছে। আর কাস্টমস প্রতি টন কাঁচামরিচ শুল্কায়ন করছে ৫০০ ডলার মূল্যে। এতে কেজিপ্রতি প্রায় ৩৮ টাকার মতো শুল্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে। সরকার শুল্ক কমিয়ে দিলে দেশের বাজারে কাঁচামরিচের দাম আরও কমে যেতো। বাজারে কাঁচামরিচ কিনতে আসা মফিজুর রহমান বলেন, শনিবার বাজার থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে কাঁচামরিচ কিনেছিলাম।
আমদানি শুরুর একদিনের ব্যবধানে দাম ১০০ টাকা কমেছে। ভারত থেকে আরও কাঁচামরিচ আমদানি হলে দাম আরও নিচে চলে আসবে, এতে আমাদের মতো মানুষদের অনেক সুবিধা হবে। বেনাপোল বন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন জানান, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার অনুমতি দেয়ায় বেনাপোল বন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। আমদানিকৃত কাঁচামরিচের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করে ছাড়পত্র দেয়া হচ্ছে। ফলে আমদানিকারকরা বন্দর থেকে পণ্য খালাস করে দ্রুত বাজারজাত করছেন।
