হাম উপসর্গে হবিগঞ্জের শ্যামলা রানী দাসের মৃত্যু হয়েছে। তার বয়স ১৮ বছর। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই তরুণী মারা যায়। একইদিনে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হবিগঞ্জের তিন বছরের শিশু মো. এহসান, কোম্পানীগঞ্জের আট মাস বয়সী আয়ান রয়েছে। এ নিয়ে সিলেটে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৫ জনে। জেলাভিত্তিক হিসাবেও মৃত্যুর চিত্র উদ্বেগজনক। এ পর্যন্ত সন্দেহভাজন হাম রোগে সিলেটে ৪০ জন, হবিগঞ্জে ১৬ জন, মৌলভীবাজারে ১২ জন এবং সুনামগঞ্জে ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর পাশাপাশি পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম রোগে সিলেটে চারজন ও মৌলভীবাজারে একজনসহ মোট ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।
চলতি বছরের ১লা জানুয়ারি থেকে ৯ই আগস্ট পর্যন্ত জেলায় ৩৫১ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যান বলছে- একদিকে নতুন রোগী শনাক্ত হচ্ছে, অন্যদিকে প্রতিদিনই হাসপাতালে যোগ হচ্ছে বিপুলসংখ্যক সন্দেহভাজন রোগী। এর সঙ্গে মৃত্যুর ধারাবাহিকতাও অব্যাহত রয়েছে। নতুন করে ১৮ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৯১ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী নতুন করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ২৫ জন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫১ জন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনজন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঁচজন এবং সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে সাতজন ভর্তি হয়েছেন।
