ট্রেন থেকে পড়ে ক্যানটিন বয় নিহত

ফন্ট সাইজ:

জয়পুরহাটে চলন্ত ট্রেন থেকে নিচে পড়ে রাশেদুল ইসলাম নামে ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ ট্রেনের এক খাদ্য বাহক (ক্যানটিন বয়) নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে জয়পুরহাট সদর উপজেলার তেঘর রেলগেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত রাশেদুল ইসলাম গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার পূর্ব গাছগাছি গ্রামের আরমান হোসেনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি দুপুরে তেঘর রেলগেট এলাকা অতিক্রম করছিল। এ সময় ট্রেনের ক্যানটিন বয় রাশেদুল ইসলাম অসাবধানতাবশত ট্রেন থেকে নিচে পড়ে যান। এতে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জখম হয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে যায়। ঘটনাটি সান্তাহার রেলওয়ে পুলিশকে জানানো হয়েছে। রেলওয়ে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহের বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

হাসিনাকে ফেরাতে গোপন তৎপরতার অভিযোগ, বেরোবিতে অনুসন্ধান কমিটি
বেরোবি প্রতিনিধি: সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে টেলিগ্রামের একটি সিক্রেট গ্রুপের মাধ্যমে দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষক গোপন তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। ওই তালিকায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ৭ জন শিক্ষকের নামও রয়েছে। এ অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সম্পৃক্ততা নিরূপণে পাঁচ সদস্যের একটি অনুসন্ধান (ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং) কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষক গোপন তৎপরতায় লিপ্ত রয়েছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক সম্পৃক্ত রয়েছেন কিনা, তা যাচাইয়ের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে এ অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাঁচ সদস্যের এ কমিটিতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তানজিউল ইসলাম জীবনকে আহ্বায়ক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের লিগ্যাল সেলের সহকারী রেজিস্ট্রার মোছা. রেহেনা আক্তার মণিকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. হারুন-আল-রশীদ এবং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আতাউর রহমান। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে তথ্য অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শৃঙ্খলা কমিটি বিষয়টি পর্যালোচনা করবে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন