ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ, মশার কামড় থেকে সুরক্ষা এবং জ্বর হলে ঘরে বসে না থেকে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. রিদুয়ানুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার সকাল চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের চরপাথরঘাটা পাবলিক স্কুল এবং আজিম হাকিম স্কুল অ্যান্ড কলেজে ডেঙ্গুর প্রকোপ বিষয় সচেতনতা গড়ার লক্ষ্যে এসব কথা বলেন তিনি। ইউএনও আরও বলেন, মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। কেননা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোনো ভ্যাকসিন নেই, সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর ওষুধও নেই।
তবে মশার প্রজননের অনুকূল পরিবেশ আমাদের চারপাশে আছে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং চারপাশ পরিষ্কার রাখা জরুরি। সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মশকনিধনে ক্রাশ কর্মসূচি চলছে এবং নতুন জরিপ অনুযায়ী হটস্পট ধরে কাজ করা হচ্ছে। তবে প্রশ্ন হলো এ উদ্যোগগুলো কি যথেষ্ট? লার্ভার ঘনত্ব যেখানে তিন-চার গুণ বেশি, সেখানে গতানুগতিক কর্মসূচির ওপর নির্ভর করলে চলবে না। মশাবাহিত রোগ থেকে মুক্তি পেতে হলে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার কোনো বিকল্প নেই। বাসাবাড়িতে নানা জায়গায় জমে থাকা স্বচ্ছ পানিও এডিস মশার প্রজননের জন্য যথেষ্ট। ফলে নাগরিকদের সচেতনতা এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় উপস্থিত ছিলেনÑ কর্ণফুলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. মোছাম্মৎ জেবুন্নেসা, আজিম হাকিম স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আজিম আলি, কর্ণফুলী বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. গিয়াস উদ্দিন ফয়সাল, চরপাথরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম মঈন উদ্দিন, শাহজাহান ফারুকী চরপাথরঘাটা পাবলিক স্কুলের সভাপতি আলাউদ্দিন চৌধুরী শিমুল, আজিম হাকিম স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিচালনা সদস্য এমএ সালাম, আজিম হাকিম স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রধান শিক্ষক মনজুরুল আলম, চরপাথরঘাটা ইউপি সদস্য সাইফুদ্দিন মানিক, তাহের মেম্বার, আনোয়ার মেম্বার, আয়েশা মেম্বারসহ অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
