সরাইলে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। পূর্ব-নির্ধারিত ওই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেছেন। কিন্তু আসেননি স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের কোনো নেতাকর্মী। ক্ষমতাসীন দলের অনুপস্থিতির কারণ হিসেবে দলটির দায়িত্বশীল এক নেতা বলেন, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতার অনুষ্ঠানে আমরা যেতে পারি না।
দলীয় ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বীর শহীদদের স্মরণে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছিলেন উপজেলা প্রশাসন। ওই অনুষ্ঠানে স্থানীয় এমপি রুমিন ফারহানাকে প্রধান অতিথি করায় ওই অনুষ্ঠানে আসেননি স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কোনো নেতাকর্মী। এ বিষয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, বিএনপিকে তো মানতে হবে মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে এমপি নির্বাচিত করেছেন। এই কঠিন সত্যটা বিএনপিকে মেনে নিতে হবে। কারণ উনারা তো জনগণের জন্য রাজনীতি করেন। তবে উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আনিছুল ইসলাম ঠাকুর বলেন, ওই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি দল (বিএনপি) থেকে বহিষ্কৃত। তাই আমরা সেই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারিনি।
সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. পারভেজ আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- সরাইল উপজেলা জামায়াতের আমীর মো. এনাম খাঁ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনজুর কাদের ভূঁঁইয়া, সরাইল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বদর উদ্দিন, সরাইল সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মাহফুজুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মইনুল ইসলাম খন্দকার, এনসিপি’র উপজেলা সমন্বয়ক মো. মোবারক হোসেন, ইসলামী আন্দোলন সরাইল উপজেলা শাখার সভাপতি হাজী সাইফুল ইসলাম, জুলাই শহীদ মোবারক হোসেনের পিতা রমজান আলী, আহত ইয়াছিন মাহমুদ, জুলাইযোদ্ধা আলীফ মাহমুদ নাহিদ প্রমুখ।
