১১ই জুলাই শুরু হওয়া বাংলাদেশ ‘এ’ দলের বিশেষ অনুশীলন ক্যাম্প চলবে ১৬ই আগস্ট পর্যন্ত। প্রিমিয়ার লীগ খেলার পর দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের ফিটনেস ও স্কিল ফেরাতেই মূলত এই আয়োজন। আসন্ন সাউথ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে সফরের বাউন্সি উইকেটের কথা মাথায় রেখে ইনডোরে চলছে বিশেষ ব্লক ট্রেনিং ক্যাম্প। জাতীয় দলের সাম্প্রতিক ম্যাচগুলো বিশ্লেষণ করে বাউন্সি উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার কৌশল শেখানো হচ্ছে এখানে। কোচ মিজানুর রহমান বাবুল বলেন, ‘লম্বা খেলার বিরতির পর ক্রিকেটারদের ভালো ছন্দে ফেরানোই ছিল প্রধান কাজ।
জিম্বাবুয়ের সঙ্গে জাতীয় দলের টেস্ট সিরিজের হতাশাজনক পারফরম্যান্স থেকে শিক্ষা নিয়ে ক্রিকেটারদের বল টু বল ভিডিও লিংক দিয়ে প্রস্তুত করা হচ্ছে। বিশেষ করে পেস ও অতিরিক্ত বাউন্স সামলানোর কৌশল শেখানো হচ্ছে।’ কোচ জানান, এটি একটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং সফর। জাতীয় দল থেকে আসা সাইফ ও জয়ের মতো ক্রিকেটারদের পারফর্ম করানোই মূল উদ্দেশ্য।’ একই সময়ে একাধিক দলের সফর চলায় পেস বোলারদের কাজের চাপ বা ওয়ার্কলোড সামলানো এখন বিসিবি’র জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। জাতীয় দল ছাড়াও সাউথ আফ্রিকায় এইচপি দল, অস্ট্রেলিয়ায় টপ অ্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজ এবং জিম্বাবুয়ে সফরের ‘এ’ দল একসঙ্গে চলায় বোলারদের ভাগ করে খেলাতে হচ্ছে। কোচ বাবুল বলেন, ‘জিম্বাবুয়েতে খেলা কয়েকজন পেসার পরবর্তীতে ‘এ’ দলে যোগ দেবেন। এতে তারা কন্ডিশন ও সঠিক বোলিং লেংথ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেয়ে যাবেন।
অন্যদিকে, টি-টোয়েন্টি সংস্করণে বেশি স্ট্রাইক রেটে খেলতে গিয়ে স্বাভাবিক ব্যাটিংয়ের ভারসাম্য হারানো ওপেনার সাইফ দ্রুতই স্কিল শুধরে নিচ্ছেন। নেটে তার চমৎকার ব্যাটিং ও মানিয়ে নেয়ার ক্ষমতা দলকে দারুণ আশাবাদী করছে।’ এদিকে, মিডল অর্ডার ব্যাটার আফিফ হোসেনকে নিয়ে কোচ বাবুল ভাবছেন ভিন্নভাবে। তার মতে, আফিফকে ৪ বা ৫ নম্বর পজিশনের নিচে খেলানো ঠিক হবে না। আফিফ বড় হিটার না হলেও সিঙ্গেলস নিয়ে ইনিংস গড়ার পাশাপাশি আনঅর্থোদক্স শটে দক্ষ। তাকে সময় দিলে শেষদিকে ফিনিশিং রোল ভালো ফুটিয়ে তুলতে পারেন। পাশাপাশি জাতীয় দলের ব্যাকআপ বোলার সংকট নিয়েও কথা বলেন বাবুল। তিনি বলেন, ‘পাইপলাইনে থাকা রানার মতো উদীয়মান বোলারদের পর্যাপ্ত সময় দেয়া প্রয়োজন। আপাতত সময় দিলে ভবিষ্যতে আরও একটি শক্তিশালী পেস বোলিং আক্রমণ উপহার পাওয়া সম্ভব।’
