ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর অতর্কিত হামলা, নিহত ১৭

ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর অতর্কিত হামলা, নিহত ১৭

ফন্ট সাইজ:

ইউক্রেনজুড়ে ব্যাপক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়ান বাহিনী। এতে এখন পর্যন্ত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। বুধবার (৫ আগস্ট) বিবিসির অনলাইন প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এমন প্রেক্ষাপটে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকলে হয়তো অনেকে বাঁচত।
তিনি বলেন, বুধবার মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া এসব হামলায় আবাসিক ভবন, রেলওয়ে স্টেশন এবং গুদামঘর লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এতে আরও ৪৪ জন আহত হয়েছে।

তিনি এই হামলাকে চলতি বছরের সবচেয়ে প্রাণঘাতী হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ইন্টারসেপ্টরের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কাছে আবেদন করে আসছেন। তবে এখন পর্যন্ত এতে ট্রাম্পের সবুজ সংকেত মেলেনি।

এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা কিয়েভ এবং এর আশেপাশের অঞ্চলের লজিস্টিক হাব এবং সরবরাহ সেন্টারে হামলা চালিয়েছে।
এ ছাড়া ইউক্রেনের তিনটি কার্গো জাহাজে হামলার দাবি করেছে রাশিয়া। এসব জাহাজে অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জারের চালান যাচ্ছিল বলে জানায় রুশ মন্ত্রণালয়।
কিয়ভ মেয়র ভিতালি ক্লিতসকো বলেছেন, হামলায় কারণে ভবনের ধবংস্তুপে বেশ কয়েকজন আটকে পড়ে আছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইউক্রেনের জরুরি পরিষেবা জানিয়েছে, কিয়েভ শহরে একজন নিহত এবং আরও ১৬ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলগুলোতে আরও ১৬ জন নিহত হয়েছেন।

এতে আরও বলা হয়, হামলার কারণে বুধবার অন্তত পাঁচটি অঞ্চলে আগুন নেভানো হয়েছে। ইউক্রেনের বিমান বাহিনী বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যম টেলিগ্রামে বলেছে, রাশিয়া ২৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং চারটি জাহাজ- বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র রাজধানী কিয়েভে ছুড়েছে।
এ ছাড়া বুধবার রাতেই ১১৫টি ড্রোন ছুড়েছে বলে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

প্রায় পাঁচ বছর ধরে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ চলছে। এতে উভয় পক্ষের বহু হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে যুদ্ধ বন্ধে এখন পর্যন্ত কোনো লক্ষণ নেই।









কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন