নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস, ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার, নিয়োগ বাণিজ্য ও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, ফলাফল স্থগিত বা বাতিল এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এক পরীক্ষার্থী। আবেদনে পরীক্ষার সিসিটিভি ফুটেজ, উপস্থিতি রেজিস্টার, ইনভিজিলেটর রিপোর্ট, কল রেকর্ড (সিডিআর), আর্থিক লেনদেন ও ডিজিটাল তথ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর দেওয়া লিখিত আবেদনে পরীক্ষার্থী আরাফাত রহমান দাবি করেন, তিনি ১০ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশ নেন। তার রোল নম্বর ৩০০১৩৯০২৮। তার পরের রোল নম্বর ৩০০১৩৯০২৯-এর পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলেও প্রকাশিত ফলাফলে তাকে উত্তীর্ণ দেখানো হয়েছে।
আবেদনে অভিযোগ করা হয়, পরীক্ষার আগে কিছু পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র, রোল নম্বর ও কেন্দ্রসংক্রান্ত তথ্য বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে আদান-প্রদান করা হয়। হোয়াটসঅ্যাপে আর্থিক লেনদেনের আলোচনা, বিভিন্ন কেন্দ্রে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষা দেওয়া এবং কিছু কর্মকর্তা ও হল পরিদর্শকের সহযোগিতায় বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
এতে আরও দাবি করা হয়, চাকরিচ্যুত কয়েকজন ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ও নির্বাচন কমিশনের কিছু কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি সিন্ডিকেট প্রশ্নপত্র ফাঁস, নিয়োগ বাণিজ্য ও পরীক্ষায় কারচুপিতে জড়িত। অভিযোগে কয়েকজনের নাম ও একাধিক রোল নম্বর উল্লেখ করে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
