দ্য হান্ড্রেড টুর্নামেন্টে নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিলো এমআই লন্ডন। কিয়া ওভালে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দীর্ঘ দিন পর বল হাতে জাদু দেখালেন তারকা লেগ স্পিনার রশিদ খান। তার ‘দ্য হান্ড্রেড’ ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফারের সুবাদে ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টসকে ৪৫ রানের ব্যবধানে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো এমআই লন্ডন।
প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন উইল জ্যাকস। ৩১ বলে ৬২ রানের অনবদ্য এক ইনিংস খেলেন তিনি। তিনে নেমে নিকোলাস পুরানও সমানতালে আক্রমণ চালান। স্রেফ ২৮ বলে ৫৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন এই ক্যারিবিয়ান তারকা। নির্ধারিত ১০০ বল শেষে এমআই লন্ডন ৬ উইকেটে ১৮৩ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায়, যা চলতি মৌসুমে তাদের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে এইডেন মার্করামের ঝোড়ো ফিফটির সুবাদে ভালো শুরুই করে ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টস। তবে আফগান তারকা রশিদ খানের ঘূর্ণিতে পথ হারিয়ে ফেলে তারা। ১৭ রান খরচ করে ৫টি উইকেট তুলে নেন রশিদ। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এটি তার পঞ্চম ফাইফার। ১০০ বলের ম্যাচ হলেও ‘দ্যা হান্ড্রেড’ আনুষ্ঠানিক রেকর্ডে টি-টোয়েন্টি হিসেবেই বিবেচিত। শেষবার ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ফাইফারের দেখা পান রশিদ। সেবার বিগ ব্যাশ লীগে অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের হয়ে ১৭ রানে ৬ উইকেট নেন তিনি।
ম্যাচ শেষে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে ২৭ বছর বয়সী রশিদ বলেন, ‘আমার এই উইকেটগুলো খুব দরকার ছিল। টুর্নামেন্টে সামগ্রিকভাবে আমার সময়টা একটু শান্তই কাটছিল। তবে আমি কেবল নিজের সেরাটা দিয়ে সঠিক জায়গায় বল করার চেষ্টা করেছি, যার ফল আমি পেয়েছি।’
জাতীয় দলের দায়িত্বে আয়ারল্যান্ডে যাওয়ার আগে দলের জয়ে দারুণ অবদান রেখে সন্তুষ্ট রশিদ আরও বলেন, ‘আমি যখনই এখানে আসি, দারুণ উপভোগ করি। জাতীয় দলের দায়িত্বই সবসময় প্রথম অগ্রাধিকার। গত দুই-তিন সপ্তাহ এখানে দারুণ সময় কেটেছে এবং আজ রাতেই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে খেলতে যাচ্ছি। কিছু আত্মবিশ্বাস নিয়ে ফিরে যাওয়াটা বেশ দারুণ মজার হবে।’
