পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার স্বরূপনগর সীমান্ত থেকে ১৪ বছর বয়সী কথিত এক বাংলাদেশি কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে। পাচারকারী চক্রের খপ্পরে পড়ে পাচার হওয়ার পর স্থানীয় পুলিশ ও বিএসএফ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে। এ খবর দিয়েছে দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া। পুলিশ জানিয়েছে, ওই কিশোরীকে পানীয় জলের সাথে চেতনানাশক পান করিয়ে অচেতন করা হয়। এরপর অবৈধভাবে সীমান্ত পার করে নিয়ে যাওয়া হয়।
বসিরহাট জেলা পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, শনিবার সকালে স্বরূপনগর থানার তারালী সীমান্ত এলাকা থেকে ওই কিশোরীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে চেতনা ফিরলে মেয়েটি পুলিশকে জানায়, ঢাকার নিজ বাড়ি থেকে সে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলায় তার খালার বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। পথে দুই পূর্বপরিচিত ব্যক্তির সাথে তার দেখা হয়। তারা তাকে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে সঙ্গে নিয়ে যায়।
এক পর্যায়ে তারা তাকে চেতনানাশক মেশানো পানি পান করালে সে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে। চেতনা ফেরার পর সে নিজেকে ভারতের স্বরূপনগর সীমান্ত এলাকার একটি অচেনা বাড়ির সামনে দেখতে পায়। স্থানীয় বাসিন্দারা মেয়েটিকে পড়ে থাকতে দেখে এক বাড়িতে নিয়ে যান। তাৎক্ষণিকভাবে স্বরূপনগর থানা পুলিশ ও বিএসএফকে খবর দেন তারা। পরে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়। এই মানবপাচার চক্রের সঙ্গে কারা জড়িত তা খুঁজে বের করতে ও কিশোরীকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ায় তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ।
