পবিত্র রমজানে গাজায় মানবিক সহায়তা নিয়ে মাস্তুল টিম

পবিত্র রমজানে গাজায় মানবিক সহায়তা নিয়ে মাস্তুল টিম

ফন্ট সাইজ:

আসন্ন পবিত্র রমজানে মানবতা, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের অনন্য বার্তা নিয়ে আবারও বৃহৎ পরিসরে ইফতার আয়োজন করতে যাচ্ছে মাস্তুল ফাউন্ডেশন। চলতি রমজানে বাংলাদেশ, সুদান ও ফিলিস্তিনের গাজাসহ দেশ-বিদেশে মোট ১০ লক্ষ রোজাদারকে ইফতার করানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

মাসব্যাপী এ আয়োজনটি পরিচালিত হবে মাস্তুল মেহমান খানা থেকে। রাজধানীর বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ইফতার গ্রহণ করবে হাজারো মানুষ। বিভিন্ন জেলার এতিমখানা মাদ্রাসা ও দরিদ্র পরিবারের মাঝেও বিতরণ করা হবে ইফতার সামগ্রী।

দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সুদান ও ফিলিস্তিনের গাজাতেও পরিচালিত হবে মাস্তুলের এ মানবিক আয়োজন। ইতি মধ্যেই মাস্তুল ফাউন্ডেশন এর টিম গাজায় পৌছে গিয়েছে।বিতরণ করছে রামাদান ইফাতার সামগ্রী।

মাস্তুল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক কাজী রিয়াজ রহমান বলেন,আমাদের সকল কার্যক্রম আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হয়। প্রতি বছর রমজান মাসে আমরা লক্ষাধিক রোজাদারের মাঝে ইফতার বিতরণ করে আসছি। এ বছর আমাদের নিয়ত—ইনশাআল্লাহ ১০ লক্ষ রোজাদারের কাছে ইফতার পৌঁছে দেওয়া। ইতোমধ্যে আমাদের টিম মিশর হয়ে ফিলিস্তিনের গাজায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, রমজান শুধু ইবাদতের মাস নয়; এটি সহমর্মিতা, দানশীলতা এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য সময়। তাই ইফতার বিতরণের পাশাপাশি যাকাতভিত্তিক স্বাবলম্বী প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের স্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতেও আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।”

মাস্তুলের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে—সামান্য সহানুভূতি ও দায়িত্ববোধই বদলে দিতে পারে হাজারো পরিবারের ভবিষ্যৎ।

মাস্তুল ফাউন্ডেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত একটি স্বনামধন্য ও সেবামূলক জাতীয় প্রতিষ্ঠান। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মাস্তুল ফাউন্ডেশন দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষ ও শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে আসছে। আমাদের মানবিক কার্যক্রমের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: করোনা মহামারির সময় দাফন সেবা প্রদান; ২০২২ ও ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জরুরি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ; এবং ২০২৩ সালের তুরস্কের ভূমিকম্পে বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা প্রদান। মাস্তুল ফাউন্ডেশনের অন্যতম সফল প্রকল্প "যাকাত স্বাবলম্বী" এর মাধ্যমে অসংখ্য অসহায় ব্যক্তি ও যুব সমাজের জন্য স্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে, যা তাদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলছে। রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিদিন বিনামূল্যে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিতদের একবেলার খাবার পৌঁছে দিচ্ছে. এছাড়াও, ঢাকার হাজারীবাগ বারইখালি এলাকায় নিজস্ব মাদ্রাসা, সেল্টারহোম, এতিমখানা ও মেহমানখানা রয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের(এনবিআর) আইন অনুসারে মাস্তুল ফাউন্ডেশনকে প্রদত্ত যেকোনো পরিমাণ যাকাত, দান বা সাদাকা আয়করমুক্ত। অর্থাৎ মাস্তুল ফাউন্ডেশনে দান করা অর্থ; দাতাদের জন্য আয়কর রেয়াত হিসেবে গণ্য হবে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন