ফুটবল বিশ্বে ঘটে গেল এক নাটকীয় ঘটনা। সৌদি আরবের লোভনীয় প্রস্তাবের টানে তিন বছর আগে হুট করে ইতালির কোচের দায়িত্ব ছেড়ে চলে যান রবার্তো মানচিনি। ক্ষমা চেয়ে ‘আজ্জুরি’দের প্রধান কোচের পদে ফিরলেন তিনি। অতীতের ভুলের জন্য অনুতপ্ত হলেও তার এই প্রত্যাবর্তন নিয়ে সমর্থকদের মাঝে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। ২০২৩ সালের আগস্টে ইতালির দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তকে নিজের জীবনের অন্যতম বড় ভুল হিসেবে উল্লেখ করে ৬১ বছর বয়সী এই কোচ বলেন, ‘আমি সত্যিই লজ্জিত। মনে হচ্ছিল জীবনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষটিকে হারিয়ে ফেলেছি। বুঝতে পেরেছি, এমন একটি কাজ করেছি যা করা উচিত ছিল না।’ সম্প্রতি বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কাছে প্লে-অফ ম্যাচে হেরে টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ব্যর্থ হয় ইতালি।
এরপরই পদত্যাগ করেন ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি গ্যাব্রিয়েলে গ্রাভিনা ও কোচ জেন্নারো গাত্তুসো। এমন ঘোর সংকটের মুহূর্তে কার্লো আনচেলোত্তি এবং পেপ গার্দিওলার মতো হাই-প্রোফাইল কোচদের প্রত্যাখ্যানের পর আবারও মানচিনির ওপরই ভরসা রাখলো ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশন। এছাড়া টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন অভিজ্ঞ ক্লাউদিও রানিয়েরি। ইতালির ইউরো ২০২০ জয়ী কোচ মানচিনি সৌদি অধ্যায়ের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘পুরো বিষয়টি ছিল সম্পূর্ণভাবে আমার ভুল।’ তবে ক্ষুব্ধ সমর্থকদের প্রতিক্রিয়া নিয়ে তিনি যে বেশ শঙ্কিত, তাও স্পষ্ট করেছেন। আগামী ২৫শে সেপ্টেম্বর রোমের স্টাদিও অলিম্পিকোতে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ন্যাশনস লীগের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তার নতুন অধ্যায়। সমর্থকদের উদ্দেশ্যে মানচিনি বলেন, ‘আমি জানি কিছু মানুষ আমার বিরুদ্ধে থাকবে। তবে আমি আশা করি, আমাদের দল মাঠে এতটাই ভালো খেলবে যে হয়তো সমর্থকরা আমাকে ক্ষমা করে দেবেন।’
