রাজধানী ঢাকার ঐতিহ্যবাহী মশুরীখোলা দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা, বাংলা ত্রয়োদশ শতাব্দীর মহান মুজাদ্দেদ (সংস্কারক) হযরত কেবলা শাহ আহসানুল্লাহ (রহ.) এই বঙ্গের মুসলমানদের ইতিহাস ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। গত দুই শতাব্দীকাল জুড়ে তার উত্তরসূরিদের ইসলাম ও মানবতার কল্যাণে নিরবচ্ছিন্ন খেদমত বিস্তৃত। হযরত কেবলা (রহ.)’র খলিফা শামছুল উলামা আবু নছর ওয়াহেদ (রহ.)’র মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অবদান; এই বাংলায় জুমার নামাজ পুনঃপ্রবর্তন; ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (রহ.)’কে সঙ্গে নিয়ে বৃটিশ বাংলার বিশিষ্টজনদের নিয়ে সংগঠন গড়ে তোলা; ১৮৭১ সালে মাদ্রাসা; ১৯১২ সালে ওয়াক্ফ এস্টেট; ১৯১০ সালে মসজিদ প্রতিষ্ঠাসহ আজাদী আন্দোলন হতে স্বাধীন বাংলাদেশের সৃষ্টিতে মশুরীখোলা দরবার শরীফ, হযরত কেবলা ও তার পরবর্তী প্রজন্মের সরব অংশগ্রহণ সব সময়ই লক্ষণীয়।
মশুরীখোলা দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা পীর সাহেব কেবলা হযরত শাহ মুহাম্মদ আহসানুল্লাহ (রহ.)। এই বঙ্গের মুসলমানদের কল্যাণে নানাবিধ জনহিতকর কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি রেখে গেছেন প্রজন্মের যোগ্যতম উত্তরাধিকার। প্রায় দুই শতাব্দীকাল ধরে তিন প্রজন্মের সুবিশাল কর্মযজ্ঞের বেশ বড়সড় একটি অংশ জুড়ে ছিলেন পীর সাহেব কেবলা আল্লামা শাহ মুহাম্মদ আহছানুজ্জামান (রহ.)। হযরত শাহ আহসানুল্লাহ (রহ.)’র প্রতিষ্ঠিত দরবার শরীফ মশুরীখোলার পীর সাহেব এবং হযরত শাহ আহসানুল্লাহ (রহ.) ওয়াক্ফ এস্টেটস এর অষ্টম মোতাওয়াল্লী। আল্লামা শাহ মুহাম্মদ আহছানুজ্জামান (রহ.) একজন আধ্যাত্মিক সাধক এবং দ্বীনের নিরলস খাদেম। আত্মঅহমিকা মুক্ত, অতিথিপরায়ণ, সদা হাস্যোজ্জল, পরোপকারী, উদারমনা ব্যক্তি হিসেবে তিনি সর্বজন স্বীকৃত।
এককথায় একজন ইনসানে কামেলের যোগ্য উত্তরসূরি। সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধের জায়গায় তিনি আদর্শ ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন তার পিতামহ বাংলা ত্রয়োদশ শতাব্দীর মহান মুজাদ্দেদ (সংস্কারক) হযরত কেবলা শাহ মুহাম্মদ আহসানুল্লাহ (রহ.)’র প্রতিবিম্ব। প্রিয় পিতামহের পদাঙ্ক অনুসরণ করে তিনি সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে রেখে গেছেন কৃতিত্বের ছাপ। তিনি অত্যন্ত সাদামাটা জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিলেন। সর্বদা আউয়াল (প্রথম) ওয়াক্তে জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করতেন। অজু অবস্থায় থাকাসহ পরিপাটি থাকতে পছন্দ করতেন। শারীরিক অসুস্থতা থাকার পরেও তাহাজ্জুতের নামাজ ছাড়তেন না।
তিনি ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা হতে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব আল্লামা মুফতি সাইয়েদ আমীমুল ইহসান মুজাদ্দেদী বারাকাতী (রহ.)’র মত প্রখ্যাত উস্তাদের কাছে দীনি শিক্ষা গ্রহণ করেন। আল্লামা শাহ্ আহছানুজ্জামান (রহ.) শরীয়তের সর্বোচ্চ শিক্ষার পাশাপাশি ছাত্রজীবনেই কঠোর সাধনার মাধ্যমে ইলমে মারেফাতের বিখ্যাত চার তরিকা দীক্ষা গ্রহণ করেন। বিশেষভাবে তার মহান পিতা ও পীর হযরত আল্লামা শাহ আব্দুল লতিফ (রহ) এবং ফেনীর পানুয়া দরবার শরীফের পীর হযরত আল্লামা সৈয়দ আবু আহমদ (রহ)-এর নিকট হতে তিনি ইলমে মারেফতের শিক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭১ সালে খেলাফত প্রাপ্ত হন। এরপর মহান পিতার ইন্তেকালের পর তিনি ১৯৭২ সালে মশুরীখোলা দরবার শরীফের গদিনশিন পীর হিসেবে দরবার পরিচালনার দায়িত্ব লাভ করেন। তিনি একজন ভ্রমণপিয়াসী মানুষ ছিলেন। পবিত্র হজ ও ওমরাহ পালনসহ বিশ্বের ২৫টিও বেশি দেশে ভ্রমণ করেন। অগণিত নবি-ওলীর মাজার জিয়ারত ও ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শন করেন।
আল্লামা শাহ মুহাম্মদ আহছানুজ্জামান (রহ.) ৯ই মে ১৯৭৬ সালে হযরত কেবলা (র.)’র খলিফা ফেনীর নিজ-পানুয়া দরবার শরীফের পীর সাহেব হযরত সৈয়দ আবু আহমদ (র.)’র ২য় পুত্র ও খলিফা সৈয়দ মুহাম্মদ শামছুজ্জামান (র.)’র কনিষ্ঠা কন্যা সৈয়দা চশমেআরা বেগমের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের ঘরে দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করেন। প্রথম সন্তান: শাহ মুহাম্মদ মোহসেনুজ্জামান। তিনি বর্তমানে হযরত শাহ আহসানুল্লাহ (রহ.) কমপ্লেক্সের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। দ্বিতীয় সন্তান: হাফিজা জামান সুমি ১৩ই সেপ্টেম্বর ১৯৮৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার স্বামী তরফ রাজ্য বিজেতা সিপাহসালার সৈয়দ নাসির উদ্দিন (রহ.)’র বংশধর, বরণ্যে গবেষক ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালক ড. সৈয়দ শাহ এমরান। তিনি দারুল উলুম আহসানিয়া কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি। তৃতীয় সন্তান: হাফেজ মাওলানা মুফতি শাহ মুহাম্মদ সাইফুজ্জামান। তিনি হুজুরের একমাত্র খলিফা এবং পিতার স্থলাভিষিক্ত মশুরীখোলা দরবার শরীফের বর্তমান গদিনশিন পীর সাহেব।
আল্লামা শাহ মুহাম্মদ আহছানুজ্জামান (রহ.) ছিলেন একাধারে একজন আধ্যাত্মিক সাধক, সমাজসংস্কারক ও দ্বীনের নিবেদিতপ্রাণ খাদেম। তার দীর্ঘ কর্মময় জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল কোরআন-সুন্নাহর আলোকে মুসলিম সমাজকে পরিচালিত করা এবং ইসলামের সুমহান ঐতিহ্যকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দেয়া। তিনি শুধু একজন পীর ও মুর্শিদ হিসেবেই নয়, বরং একজন চিন্তাশীল ধর্মীয় সংস্কারক হিসেবেও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
হানাফি মাযহাবের গুরুত্ব ও ঐতিহ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তার অবদান স্মরণীয়।
কোরআন-সুন্নাহর মূলনীতি থেকে বিচ্যুত না হয়, সে বিষয়ে সচেতন ছিলেন।
ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশ ছিল তার অন্যতম প্রধান কর্মক্ষেত্র। তিনি বিশ্বাস করতেন, একটি আদর্শ সমাজ গঠনের জন্য দ্বীনি শিক্ষা অপরিহার্য। তাই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা, শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি, কোরআন-হাদিসের জ্ঞান বিস্তার এবং নতুন প্রজন্মকে ইসলামী মূল্যবোধে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তিনি নিরলসভাবে কাজ করেছেন। তিনি জীবনের সর্বস্ব দিয়ে গড়ে তুলেছেন ১৯টি প্রতিষ্ঠান। যার মধ্যে একটি কামিল (মাস্টার্স); একটি আলিম (এইচএসসি); একটি দাখিল (এসএসসি); দুইটি ইবতেদায়ি (প্রাইমারি); আটটি হাফেজি মাদ্রাসা এবং দুটি শতবর্ষী মসজিদ; তিনটি স্কুলসহ একটি এতিমখানা রয়েছে।
তাসাউফের ক্ষেত্রেও তার দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অত্যন্ত উদার ও ভারসাম্যপূর্ণ। নিজ মুর্শিদ ও সিলসিলার প্রতি গভীর আনুগত্য বজায় রেখেও তিনি অন্যান্য তরিকার মাশায়েখ ও আধ্যাত্মিক সাধকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতেন।
তিনি পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করতেন। ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা, একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া এবং সমাজে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি মানুষকে উৎসাহিত করতেন।
মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিজরতের ঘটনাকে মহিমান্বিত করার জন্য মহররম মাস থেকে হিজরি নামে একটি স্বতন্ত্র সন চালু করার ঘোষণা দেন ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা আমিরুল মুমেনীন হযরত ওমর ফারুক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)। সেই থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় দেড় হাজার বছর ধরে হিজরি সন মুসলমানদের জীবনধারার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে মিশে আছে। এই সনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিশ্ব মুসলিমের তাহজিব-তামাদ্দুন। সম্পৃক্ত ইসলামের বিভিন্ন বিধি-বিধান। হিজরি নববর্ষ নানা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে পালিত হলেও দ্বিতীয় মুসলিম প্রধান দেশ বাংলাদেশে এর অনুপস্থিতি ছিল দীর্ঘদিন। সেই শূন্যতা পূরণে বৃহত্তর পরিসরে হিজরি নববর্ষ উদ্যাপনের যে ধারা গত কয়েক বছর পূর্বে সূচিত হয়েছিল। ইসলামের ঐতিহাসিক দিবসসমূহ যথাযথ মর্যাদায় পালন এবং ইসলামী সংস্কৃতি চর্চার প্রতি তিনি মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেন। জাতীয় হিজরি নববর্ষ উদ্যাপন পরিষদের মাধ্যমে তিনি এ আন্দোলনকে সাংগঠনিক রূপ দেন। এ পরিষদকে তিনি আর্থিক ও মানসিকভাবে সহযোগিতা করেন। অসুস্থ শরীর নিয়েও তিনি প্রতি বছর র্যালি ও আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ অনুসরণে তিনি ছিলেন অত্যন্ত যত্নবান। তিনি মানুষকে অবহেলিত সুন্নাহসমূহ পালনে উৎসাহিত করতেন। নিজ জীবনে তিনি এর বাস্তব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। ৫২ বছর বয়স থেকে ইন্তেকাল পর্যন্ত তিনি প্রতি সোমবার নফল রোজা পালন করেন, যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাহর প্রতি তার গভীর ভালোবাসার পরিচয় বহন করে।
পবিত্র কোরআনের বিশুদ্ধ তেলাওয়াতের প্রসারেও তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। তাজবিদ ও সহিহ ক্বিরাত শিক্ষার জন্য বিশেষ কোর্স ও শিক্ষার ব্যবস্থা করেন, যাতে মানুষ সঠিকভাবে কোরআন পাঠ করতে পারে। এ ছাড়া ইসলামী বুনিয়াদি শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন। ২০০৩ সালে যশোর ও কক্সবাজার এবং ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম ও দিনাজপুরসহ বিভিন্ন জেলায় এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তিনি ইসলামী বুনিয়াদী শিক্ষা নামে গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থটি রচনা করেন, যা ১৯৯৫ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত হয়।
তিনি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামার সুন্নাত অনুসারে এতিমদের খুব বেশি ভালোবাসতেন। এতিম ও দরিদ্র শিশুদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা সমাজের অন্যতম বড় দায়িত্ব মনে করতেন। এ কারণে তার প্রতিষ্ঠিত এতিমখানার শিশুদের শিক্ষা, লালন-পালন এবং নৈতিক বিকাশে তিনি ব্যক্তিগতভাবে তদারকি করতেন। মুসাফিরদের জন্য তার দরবারে উন্মুক্ত লঙ্গরখানা ছিল। প্রতিদিন শত শত মানুষ সেখান থেকে খাবার গ্রহণ করেন। এ ছাড়া তিনি গোপনে বহু অসহায় পরিবারকে নিয়মিত আর্থিক সহায়তা প্রদান করতেন। একজন আধ্যাত্মিক নেতা হিসেবে শাহ আহছানুজ্জামান (রহ.) মানুষের সেবাকে ইবাদতের অংশ মনে করতেন। তিনি দরিদ্র, অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতেন এবং অনুসারীদের উৎসাহিত করতেন। পুরান ঢাকার মতো একটি জনাকীর্ণ ও মিশ্র ধর্মীয় এলাকায় অবস্থান করেও তিনি সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে এক চমৎকার সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতেন। যেকোনো সামাজিক সংকটে বা দাঙ্গার পরিস্থিতিতে তিনি এলাকায় শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করতেন। তিনি ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি সমাজসংস্কারের দিকেও বিশেষ মনোযোগ দেন।
আল্লামা শাহ মুহাম্মদ আহছানুজ্জামান (রহ.)-এর ধর্মীয় সংস্কার ও অবদান ছিল সুদূরপ্রসারী। তার জীবন আমাদের শিক্ষা দেয়। একজন প্রকৃত সংস্কারকের দায়িত্ব শুধু জ্ঞান বিতরণ নয়, বরং মানুষের আত্মিক উন্নয়ন, সমাজের কল্যাণ এবং ইসলামের শান্তি ও সৌন্দর্যের বার্তা ছড়িয়ে দেয়া। তার রেখে যাওয়া কর্মধারা আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। বর্তমানে আল্লামা শাহ মুহাম্মদ আহছানুজ্জামান (রহ.)’র রেখে যাওয়া দীনি প্রতিষ্ঠানসমূহ আধ্যাত্মিক প্রতিনিধি হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করছেন তার সুযোগ্য সাহেবজাদা হাফেজ মাওলানা শাহ মুহাম্মদ সাইফুজ্জামান মাদ্দা জিল্লুহুল আলী। তিনি শৈশব হতেই তার পিতার তত্ত্বাবধায়নে তরিকতের দীক্ষা লাভ করেন। বর্তমান গদিনশিন পীর সাহেব প্রপিতামহ, পিতামহ এবং পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে মশুরীখোলা দরবারের দীনি সাম্রাজ্য সামাল দিচ্ছেন। মহান রাব্বুল ইজ্জত হাফেজ মাওলানা শাহ মুহাম্মদ সাইফুজ্জামান মাদ্দা জিল্লুহুল আলীর মাধ্যমে তার পিতা আল্লামা শাহ মুহাম্মদ আহছানুজ্জামান (রহ.)’র দীনি খেদমত জারি রাখার তৌফিক দান করুক। আমিন।
লেখক: কো-অর্ডিনেটর, সেন্টার ফর ইসলামিক হেরিটেজ ও জাতীয় হিজরি নববর্ষ উদ্যাপন পরিষদ।
