কার্যক্রমে কী পরিবর্তন হবে

সিটিটিসি-এটিইউ’র নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ

কার্যক্রমে কী পরিবর্তন হবে

ফন্ট সাইজ:

পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ও অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট (এটিইউ)। দু’টি ইউনিটই বিশেষায়িত সন্ত্রাসবিরোধী সংস্থা হিসেবে পরিচিত। উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমন করার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু হয় এই দু’টি ইউনিটের। আওয়ামী লীগ সরকারই দু’টি সংস্থা গঠন করেছিল। কিন্তু সিটিটিসি তাদের মূল কাজ থেকে সরে গিয়ে নানা ধরনের প্রশ্নবিদ্ধ কাজ করে সমালোচিত হয়েছে। সিটিটিসি’র বিরুদ্ধে ভুয়া জঙ্গিবিরোধী অভিযান সাজানোর অভিযোগ রয়েছে। রাজনৈতিকভাবেও ব্যবহার করা হয়েছিল সিটিটিসিকে। একইভাবে যে উদ্দেশ্য এটিইউ গঠন করা হয়েছিল সেটিও সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। তারাও তাদের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে পারেনি। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কার্যত এই দু’টি সংস্থাই অকার্যকর হয়ে যায়। বলতে গেলে অনেকটা অলস সময় কাটাচ্ছেন দু’টি ইউনিটের কর্মকর্তারা।

সাম্প্রতিক সময়ে সিটিটিসি ও এটিইউ’র নাম পরিবর্তনের পাশাপাশি তাদের কর্মপরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা করে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এজন্য দু’দফা নামও প্রস্তাব করা হয়েছে পুলিশ সদরদপ্তরের চিঠিতে। পুলিশ সদরদপ্তর গত ৭ই জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক প্রস্তাবে এটিইউ’র নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট (এসএসইউ)’ করার অনুমোদন চেয়েছে। তাদের যুক্তি, দেশে ও বিশ্বে নিরাপত্তা হুমকির ধরন দ্রুত বদলাচ্ছে। সহিংস উগ্রবাদের পাশাপাশি নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও বিস্তৃত কাঠামো প্রয়োজন।

এ ছাড়া ৮ই জুন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারের কাছে পাঠানো আরেকটি চিঠিতে ডিএমপি’র কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট-ডিএমপি (এসএসইউ-ডিএমপি)’ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পরে আবারো নাম পরিবর্তন করে প্রস্তাব পাঠানোর কথা বলা হয়। সেখানে অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের নাম স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট (এসআরইউ) ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের নাম স্পেশাল রেসপন্স টিম ডিএমপি (এসআরইউ ডিএমপি) করার প্রস্তাব করা হয়েছে। গতকাল এ নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি ইন্টারনাল বৈঠকও হয়েছে। তবে বৈঠকে পুরোপুরি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, বৈঠক হয়েছে। তবে সিদ্ধান্ত হয়নি। আর এটা শুধু নাম পরিবর্তন হবে। কার্যক্রমে তেমন পরিবর্তন আনা না হতে পারে। বাকিটা পরবর্তী বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সিটিটিসি ও এটিইউ নাম পরিবর্তনের গুঞ্জনের পরপরই নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে ও পুলিশ বাহিনীতে। খোদ সিটিটিসি ও এটিইউ কর্মকর্তাদের মনে নানা প্রশ্ন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যে লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে দু’টি ইউনিট গঠন করা হয়েছিল নাম পরিবর্তনের কারণে সেটি কার্যকারিতা হারিয়ে দুর্বল হতে পারে। সংস্থা দু’টি যদি উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম থেকে সরে গিয়ে অন্য কাজে মনোনিবেশ করে তবে দেশে জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ বেড়ে যাবে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন। পুলিশের নীতি নির্ধারকরা বলছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইন্টারনেটের ব্যাপক বিস্তার ও তথ্যের দ্রুত প্রবাহের কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকির ধরন বদলে গেছে। ফলে প্রচলিত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করা জরুরি। পুলিশ মনে করছে, নতুন নামে পরিচালিত হলে অতীতে বিতর্কিত বা প্রশ্নবিদ্ধ অভিযানের সঙ্গে যুক্ত অভিযোগ থেকে সংস্থাগুলো বেরিয়ে এসে জনআস্থা পুনর্গঠনে সুবিধা পাবে।

সূত্র জানায়, দেশে ২০১৪, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদ বেড়ে যাওয়ায় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৬ সালে ডিএমপি’র একটি বিশেষায়িত ইউনিট সিটিটিসি গঠন করে। ওই বছরের ফেব্রুয়ারিতে এই ইউনিট আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে। এর কাজের এলাকা ঢাকা মহানগর। এটি সাতটি সাব-বিভাগে বিভক্ত। এর মধ্যে রয়েছে স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপ (সোয়াট), সাইবার ক্রাইম তদন্ত বিভাগ, ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম, ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড অ্যানালাইসিস, বোম্ব ডিসপোজাল টিম ও বিশেষ প্রশিক্ষিত কে-নাইন টিম (শ-৯)। ঢাকায় বড় কোনো ইভেন্ট হলে সোয়াট নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এটি অনেক ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযান চালিয়েছে, জঙ্গি নেতা ও উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করেছে। ২০১৬ সালের ১লা জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে নৃশংস জঙ্গি হামলার পর ওই বছরে সিটিটিসি কল্যাণপুর, শাহ্‌ আলী, বংশাল, মোহাম্মদপুর, তেজগাঁও, ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, আশকোনা, কেরানীগঞ্জ, গাজীপুরের পাতারটেক, টাঙ্গাইল, নারায়ণগঞ্জ, সিরাজগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কিছু বাড়িতে অভিযান চালায়।

পুলিশ তখন বলেছিল, ওসব বাড়ি ‘জঙ্গি আস্তানা’। অভিযানে কল্যাণপুরে ‘নব্য জেএমবি’র’ নয়জন, নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় তিনজন, গাজীপুরের পাতারটেকে সাতজনসহ বিভিন্ন স্থানে অনেকে নিহত হয়। পুলিশ নিহত ব্যক্তিদের জঙ্গি হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল। সিটিটিসি’র ওই সব অভিযান নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠেছে। কল্যাণপুরে ‘জাহাজবাড়ীতে’ ৯ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলাও হয়েছে।
সিটিটিসি গঠনের এক বছর পর ২০১৭ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার সারা দেশে উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমনে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট এটিইউ গঠন করেছিল। সারা দেশে কাজ করা এই ইউনিট পুলিশ সদর দপ্তরের তত্ত্বাবধানে চলে। এই ইউনিটের প্রধান একজন অতিরিক্ত আইজিপি।

গণ-অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সিটিটিসি ও এটিইউ’র কর্মকাণ্ড নিয়ে অনেকেই মুখ খুলেছেন। এ দুই ইউনিটের বিরুদ্ধে গুম, আটক রাখা, হত্যা ও নির্যাতনের অভিযোগও ওঠে। গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের নিয়ে গঠিত সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক এবং বর্তমান সংসদের বিএনপি’র সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি সানজিদা ইসলাম তুলি বলেন, এসব ইউনিটে গোপন বন্দিশালা ছিল। সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। নির্যাতন করা হতো। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত গুমসংক্রান্ত কমিশনের প্রতিবেদনেও সিটিটিসি ও এটিইউ’র বিরুদ্ধে নির্যাতন ও এগুলোর গোপন বন্দিশালা থাকার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। পুলিশের সূত্র জানায়, বর্তমান সরকার মনে করছে, সিটিসিটি ও এটিইউ বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জঙ্গিবাদ দমনের নামে অনেক বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করেছে। ইউনিট দু’টির অনেক দুর্নাম রয়েছে।

থেমে নেই উগ্রবাদী ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম: গত শুক্রবার মতিঝিল মেট্রো রেলের নিচ থেকে শক্তিশালী একটি টাইমবোমা উদ্ধার করে সেটির নিরাপদ বিস্ফোরণ ঘটায়। এদিন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উল্টো রথ যাত্রার র‌্যালি ওই রাস্তা দিয়ে যাবার কথা ছিল। তার কিছুক্ষণ আগেই সেটি পুলিশের নজরে আসে। পরে তড়িঘড়ি করে ব্যবস্থা নেয়া হয়। পুলিশ বলছে, উল্টো রথযাত্রাকে টার্গেট করে ওই শক্তিশালী বোমাটি পাতা হয়েছিল। এটি ছিল পাইপ বোমা (আইইডি বা ইম্প্রোভাইসড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস)। ভেতরে দেড় কেজির মতো সালফার। সঙ্গে প্রচুর তারকাঁটা ও ধারালো লোহার টুকরো। ব্যাটারি ও সার্কিট জোড়া দিয়ে ডিভাইসটি তৈরি। বোতাম চাপলেই বিস্ফোরিত হতো। আর বিস্ফোরণ হলেই ভেতরের লোহা লক্করের টুকরোগুলো স্প্লিন্টার হয়ে আশপাশের লোকজনকে মারাত্বকভাবে ক্ষতবিক্ষত করতো। বোমা উদ্ধারের ঘটনায় মতিঝিল থানার এসআই মো. মুক্তা বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা করেছেন। মামলার এজাহারে তিনি বলেছেন, সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনগণের জীবন বিপন্ন করার লক্ষ্যে বোমাটি সেখানে পাতা হয়েছিল।

গত ২৬শে ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসনাবাদ হাউজিং এলাকার একটি মাদ্রাসা ভবনে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কক্ষের চারপাশের দেয়াল ও ছাদের একাংশ ধসে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ও র‍্যাবের একাধিক দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দুই দিনব্যাপী ওই অভিযানে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ওই মাদ্রাসার পরিচালক ও প্রধান আসামি আল আমিনের ভাড়া বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। উদ্ধার উপকরণের মধ্যে রয়েছে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড, এসিটোন, নাইট্রিক অ্যাসিড ও ৪০০ লিটার তরল রাসায়নিক। এ ছাড়া কালো প্লাস্টিকে মোড়ানো ৯টি তাজা ককটেলও উদ্ধার করা হয়। গত এপ্রিল মাসে জাতীয় সংসদসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় জঙ্গি সংগঠনের সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে গোয়েন্দা সতর্কতা জারি করে বাংলাদেশ পুলিশ। নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা সমন্বিত হামলার পরিকল্পনা করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে এই জরুরি সতর্কতা দেয়া হয়।

পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি কামরুল আহসানের সই করা একটি দাপ্তরিক চিঠির মাধ্যমে ওই সতর্কতা জারি করা হয়। চিঠিতে বলা হয়েছিল, নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যরা নিজেদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখে চলছে। তারা রাষ্ট্রের অত্যন্ত সংবেদনশীল স্থানগুলোকে তাদের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে নির্ধারণ করেছে। সংসদ ভবন ছাড়াও পুলিশ ও সামরিক স্থাপনা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপাসনালয় তাদের হামলার সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছে। এ ছাড়া জনাকীর্ণ বিনোদন কেন্দ্রগুলোকেও এই হামলার ঝুঁকির আওতায় আনা হয়েছে। হামলা পরিচালনার জন্য তারা একাধিক পদ্ধতির পরিকল্পনা করছে বলে গোয়েন্দা তথ্যে উঠে এসেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক মানবজমিনকে বলেন, শুধু নাম পরিবর্তন করে বিতর্কমুক্ত হওয়া খুব কঠিন। নাম ও পোশাক পরিবর্তনের রাজনীতি বহু পুরনো। এগুলো এখন আর মানুষ গ্রহণ করে না। মানুষ এখন দেখতে চায় কাজের পরিবর্তন। যেসব কাজ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে- সেসব কাজের পরিবর্তন, সংশোধন এবং আইনসিদ্ধভাবে বাস্তবায়ন মানুষ সেটিই দেখতে চায়। এ ছাড়া আমরা মনে করি, এই ইউনিটের কাজকে একটি আইনগত ভিত্তি দেয়া গেলে খুবই ভালো হবে। যদি তা সম্ভব না-ও হয়, তাহলে অন্তত একটি সুস্পষ্ট গাইডলাইন বা নির্দেশনা থাকা উচিত, যেখানে উল্লেখ থাকবে এই ইউনিট বা একীভূত ইউনিট কী কী কাজ করবে। এ ছাড়া যারা এই ইউনিটে দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের দায়বদ্ধতাও নিশ্চিত করতে হবে।

ব্যক্তিগত প্রয়োজনে যদি কেউ এই ইউনিটের ক্ষমতা বা পরিচয় ব্যবহার করে কোনো অপরাধ বা আইনবিরোধী কাজ করেন, তাহলে তার কী ধরনের শাস্তি হবে, সেটিও স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা প্রয়োজন। এই পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশেষ করে কর্মপরিধির পরিবর্তন এবং নাম পরিবর্তনের বিষয় দু’টি আলাদা। শুধু নতুন নাম দিলেই নতুন ভাবমূর্তি তৈরি হবে বিষয়টি এমন নয়। আবার একটি ইউনিট দীর্ঘদিন ধরে কাজ করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে তার একটি পরিচিতি তৈরি হয়। কয়েক বছর পরপর যদি নাম পরিবর্তন হতে থাকে, তাহলে ইউনিটগুলো মানুষের কাছে গুরুত্ব হারাবে এবং ব্যাপকভাবে পরিচিত হয়ে উঠতে পারবে না। আর আমাদের দেশে উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বাস্তবতা রয়েছে। এটিকে নিয়ে রাজনীতি কিংবা তর্ক-বিতর্ক করে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন