ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল। সড়কটির প্রবেশদ্বারে মহিলা কলেজ সংলগ্ন স্থানে পুকুরের রূপ ধারণ করায় চরম কষ্ট ও দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী আর যান চলাচলকারীরা। ঘটছে দুর্ঘটনাও। এ বিষয়ে দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায় ‘বেহাল সরাইলের প্রধান সড়ক, দুর্ভোগ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের এক সপ্তাহ পরই সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান। সহযোগিতা করেছেন সরাইলের প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার ও প্রেস ক্লাবের আজীবন সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম সেলু। সূত্র জানায়, সড়কটিতে প্রথমে ছোট গর্ত ও পরে গত দেড়-দুই মাস ধরে খাল থেকে পুকুরের রূপ ধারণ করায় সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন মানুষ।
মানুষের কষ্ট দেখে গত ১৮ই জুলাই শনিবার দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায় ‘বেহাল সরাইলের প্রধান সড়ক, দুর্ভোগ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি ভাইরাল হয়। এটি দেখে আশায় বুক বাঁধেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা। জেলার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও বিষয়টি আমলে নেন। অবশেষে সড়কটির বেহাল দশার বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলেন স্থানীয় ঠিকাদার শফিকুর রহমান। প্রাথমিক অবস্থায় মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন নির্বাহী প্রকৌশলী। উনার উদ্যোগে সংস্কার কাজে সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসেন ঠিকাদার শফিকুর রহমান। সোমবার সকালের দিকে কয়েক ট্রাক ইট ও আধলা ফেলেন। পরে রোলিং করে লেভেল করেন। ডা. মো. ফখরুল ইসলাম শিবলী, সমাজকর্মী রওশন আলীসহ স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, সড়কটি নতুনভাবে নির্মাণ করার পর আশপাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ির পানি যেন সড়কের উপর না পড়ে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ এসব পানিই সড়ক নষ্ট করে। ঠিকাদার শফিকুর রহমান নির্বাহী প্রকৌশলীর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে হাসপাতালের মোড় থেকে নিজ সরাইল ব্রিজ পর্যন্ত ৭ মিটার প্রস্থ সড়কটি আরসিসি পদ্ধতিতে নির্মাণ করা হবে। থাকবে একাধিক ক্রস ড্রেন।
