রিপোর্টের অপেক্ষায় সীতাকুণ্ড থানার শতাধিক মামলা বিলম্বিত বিচার প্রক্রিয়া

ফন্ট সাইজ:

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল থেকে পোস্টমর্টেম ও ধর্ষণ মামলার ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে দীর্ঘ সময় লাগায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড মডেল থানার শতাধিক হত্যা, অস্বাভাবিক মৃত্যু ও ধর্ষণ মামলার তদন্ত আটকে আছে। প্রয়োজনীয় তদন্তকাজ শেষ হলেও ১০ মাস থেকে এক বছর, কোথাও কোথাও তারও বেশি সময় ধরে রিপোর্ট না পাওয়ায় আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ার পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবার ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

থানা সূত্রে জানা গেছে, অধিকাংশ মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ, সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণসহ তদন্তের প্রায় সব কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু পোস্টমর্টেম ও ডিএনএ রিপোর্ট না আসায় তদন্ত সম্পন্ন করে আদালতে প্রতিবেদন পাঠানো যাচ্ছে না। ফলে বছরের পর বছর মামলাগুলো ঝুলে থাকছে। সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মো. মহিনুল ইসলাম মানবজমিনকে বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে সময়মতো রিপোর্ট না আসায় আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলে বিলম্ব হচ্ছে। শুধু সীতাকুণ্ড নয়, চট্টগ্রামের আরও অনেক থানাই একই সমস্যার মুখোমুখি। তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আদালতে কোনো মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের ক্ষেত্রে পোস্টমর্টেম ও ডিএনএ রিপোর্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি। এসব রিপোর্ট ছাড়া অধিকাংশ হত্যা, অস্বাভাবিক মৃত্যু ও ধর্ষণ মামলার তদন্ত আইনগতভাবে সম্পন্ন করা যায় না। ফলে বিচার কার্যক্রম শুরু কিংবা পরবর্তী ধাপে এগিয়ে নেয়াও বিলম্বিত হয়। তাদের মতে, এসব রিপোর্ট দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে শুধু সীতাকুণ্ড নয়, চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানায় আটকে থাকা বহু মামলার তদন্ত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন