বদলে যাবে সবকিছু, ২০৩৬ সালে মূল্য থাকবে না টাকার

মাস্কের চাঞ্চল্যকর ভবিষ্যদ্বাণী

বদলে যাবে সবকিছু, ২০৩৬ সালে মূল্য থাকবে না টাকার

ফন্ট সাইজ:

আগামী এক দশকের মধ্যে পৃথিবীতে এমন এক যুগ আসবে, যখন টাকার আর তেমন কোনো গুরুত্ব থাকবে না- এমনই বিস্ময়কর ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্ক। খবর ফোর্বসের।

সম্প্রতি দ্য ইকোনমিস্টের প্রধান সম্পাদক জ্যানি মিন্টন বেডোজকে দেয়া এক বিস্তৃত সাক্ষাৎকারে মাস্ক বলেন, ২০৩৬ সালে টাকার আর কোনো মূল্য থাকবে না।
তার মতে, আগামী ১০ বছরের মধ্যে বিশ্ব “অবিশ্বাস্য প্রাচুর্যের” যুগে প্রবেশ করবে। সাক্ষাৎকারে মাস্ক বলেছেন, আপনার টাকা কেন দরকার? পণ্য ও সেবা কেনার জন্য। খাবার, বাসস্থান, যাতায়াত কিংবা বিনোদনের জন্য। কিন্তু যদি রোবট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এত বেশি পণ্য ও সেবা উৎপাদন করে যে কোনো মানুষই তা ব্যবহার করে শেষ করতে না পারে, তাহলে টাকার আর কী প্রয়োজন থাকবে?
মাস্কের বিশ্বাস, রোবট ও এআইয়ের ব্যাপক বিস্তারের ফলে মানুষের প্রয়োজনীয় সবকিছু সহজেই পূরণ হবে এবং অর্থের প্রচলিত ধারণাই বদলে যাবে।
গত ১২ জুন স্পেসএক্স শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর ইলন মাস্ক বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হন। তবে এরপর তার সম্পদের পরিমাণ কমে বর্তমানে প্রায় ৭০০ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

এর আগেও মাস্ক অর্থনীতি নিয়ে ভিন্নধর্মী মন্তব্য করেছিলেন।
তিনি বলেছিলেন, জ্বালানিই (এনার্জি) হলো প্রকৃত মুদ্রা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি এই মন্তব্য করলে অনেক বিটকয়েন সমর্থক ধারণা করেন, মাস্ক পরোক্ষভাবে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রতি সমর্থন জানাচ্ছেন।

এক পোস্টে মাস্ক লিখেন, বিটকয়েন শক্তির (এনার্জির) ওপর ভিত্তি করে তৈরি। কাগুজে মুদ্রা (ফিয়াট কারেন্সি) জাল করা সম্ভব এবং ইতিহাসে প্রায় সব সরকারই তা করেছে। কিন্তু শক্তিকে (এনার্জি) জাল করা অসম্ভব।
তিনি আরও একমত হন যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ঘিরে চলমান বৈশ্বিক প্রতিযোগিতাই সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্বর্ণ, রূপা ও বিটকয়েনের দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

বর্তমানে মাস্কের দুই প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স ও টেসলার কাছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিটকয়েন রয়েছে। ফোর্বসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পেসএক্সের কাছে, ১৮,৭১২ বিটকয়েন এবং টেসলার কাছে ১১,৫০৯ বিটকয়েন রয়েছে।
বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী, এই দুই প্রতিষ্ঠানের মোট বিটকয়েনের মূল্য প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার)।
মাস্কের এসব মন্তব্যের পর প্রযুক্তি ও অর্থনীতি বিশ্লেষকদের মধ্যে ভবিষ্যতের অর্থব্যবস্থা, এআই এবং ক্রিপ্টোকারেন্সির ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।


হারুন আল রশিদ

২ ঘন্টা আগে

বিশ্বের একমাত্র ট্রিলোনিয়রের এমন মূল্যায়নে বাংলাদেশ সরকার বিটকয়েন/ক্রিপ্টোকারেন্সীর দিকে এখনই মনোযোগী হবে। দেশে বহু তরুণের অধিত বিষয় হতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিষয়টি পড়ানো হোক। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিলুপ্তির আগাম বার্তা এই বিট কয়েন কখনোই তসরূফ হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবে না।

মন্তব্য করুন