ঘুষের টাকা নেয়ার ভিডিও ভাইরাল, ভূমি কর্মকর্তা বরখাস্ত

ঘুষের টাকা নেয়ার ভিডিও ভাইরাল, ভূমি কর্মকর্তা বরখাস্ত

ফন্ট সাইজ:

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তা ইমরান শেখের বিরুদ্ধে সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। অফিসে বসে টাকা গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে জেলা প্রশাসন। রোববার রাতেই এ ঘটনার প্রেক্ষিতে এক অফিস আদেশ জারি করা হয়।

এর আগে রোববার বিকালে প্রায় এক মিনিট তিন সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, ইমরান শেখ অফিসের চেয়ারে বসে এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করে তা গুনে নিচ্ছেন।

ভিডিওতে তাকে মন্তব্য করতে শোনা যায়, ‘উনিও ৪০তম বিসিএস, আমিও ৪০তম বিসিএস। উনার কপাল ভালো, উনি ক্যাডার হয়েছেন, আর আমি নন-ক্যাডার হয়েছি।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইমরান শেখ দাবি করেন, ‘এটি ঘুষের টাকা নয়, ব্যক্তিগতভাবে ধার দেয়া টাকা ফেরত নেয়ার সময়ের ভিডিও।’ তিনি বলেন, ‘অনেকেই আমার কাছ থেকে ব্যক্তিগতভাবে টাকা ধার নেন। পরে সেই টাকা ফেরত দেন। ভিডিওটি এর বছর আগের। ওই ভিডিও দেখিয়ে আমাকে এর আগেও অনেকে অনেকবার ব্ল্যাকমেইল করেছে। মোবাইলে আজকেও (রোববার) আমার নিকট একজন ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে দেড় লাখ টাকা দাবি করেছে। আমি টাকা না দেয়ায় ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে ভাইরাল করা হয়েছে।’

বোয়ালমারীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শিব্বির আহমেদ বলেন, ‘জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব শাখা থেকে রোববার রাতে এ আদেশ দেয়া হয়েছে।’
বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান রোববার রাতে বলেন, ‘ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি জেলা প্রশাসকের নজরে আনা হয়। জেলা প্রশাসক ইমরান শেখকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ভিডিও ফুটেজ এবং তার প্রিভিয়াস হিস্টোরি দেখে আমাদের কাছে সত্যতা প্রতীয়মান হয়েছে। সরকারি যে বিধি আছে, সেই বিধি অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি আর অফিস করতে পারবেন না।’

Monshur Ahmed

৪৩ মিনিট আগে

ছবি ভাইরাল হলেই ঘুষ খোর!! আর বাকি কেউই ঘুষ খায় না??

মোঃ নজরুল ইসলাম

৪৫ মিনিট আগে

ঘুষ নিলেই ছাটাই করতে হবে তাছাড়া কোন উপায় নাই

Harun-Al-Rashid

১ ঘন্টা আগে

The scenario of every land revenue office is same. They charge an extra 10-12% on registration value as the subscription for their employees association. The Sub- register remains silent.

মন্তব্য করুন