ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হালাল সনদ শাখার কর্মকর্তা আবু সালেহ পাটোয়ারীকে তাৎক্ষণিকভাবে (স্ট্যান্ড রিলিজ) করা হয়েছে। রোববার এক অফিস আদেশে তাকে নরসিংদী জেলা কার্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। হালাল সনদ প্রদান প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ ওঠার পর এ প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। সূত্রের দাবি, সমপ্রতি বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) আয়োজিত “ঐধষধষ ভড়ৎ ঊীঢ়ড়ৎঃ উরাবৎংরভরপধঃরড়হ” শীর্ষক কর্মশালায় দেশের শীর্ষস্থানীয় রপ্তানিকারক ও খাদ্যপ্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা হালাল সনদ গ্রহণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, ঘুষ, হয়রানি এবং অপ্রয়োজনীয় শর্ত আরোপের অভিযোগ উত্থাপন করেন। কর্মশালায় প্রাণ, আকিজ, বম্বে সুইটস, বেঙ্গল মিট, ইজি প্রসেস ফুডসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অভিযোগের পর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মহিবুল্লাহ হিল বাকি বিষয়টি প্রাথমিকভাবে পর্যালোচনা করেন। পরে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে নরসিংদী জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। পাশাপাশি অভিযোগ তদন্তে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। কর্মশালায় বম্বে সুইটস অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক খুরশিদ আহমেদ ফরহাদ অভিযোগ করেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও বিএসটিআই থেকে হালাল সনদ নিতে গিয়ে সরকারি ফি’র বাইরে বিভিন্ন ধরনের অনানুষ্ঠানিক ব্যয় করতে হয়। তার ভাষায়, হালাল সার্টিফিকেট নিতে গেলে নন-হালাল কার্যক্রমও (ঘুষ) দিতে হয়।
