ইজারা হয় না হাট-বাজার, রাজস্ববঞ্চিত সরকার

ফন্ট সাইজ:

বিয়ানীবাজার উপজেলার অধিকাংশ হাট-বাজার ইজারা হয় না। এতে সরকারের রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। এদিকে সরকারি জমি দখলে নিয়ে ভুয়া কাগজপত্র সৃজন করে গড়ে তোলা হচ্ছে ব্যক্তি মালিকানাধীন মার্কেট-বিপণিবিতান। জানা গেছে, উপজেলার রাজস্ব আদায়ের অন্যতম খাত হাট-বাজার ইজারা। বিয়ানীবাজারের ১০ ইউনিয়নের কমপক্ষে ৭০টি হাট-বাজার থাকলেও বার্ষিক ইজারায় ওঠে নামমাত্র কয়েকটি। ফলে কাগজে-কলমে প্রতিষ্ঠিত এসব হাট থেকে সরকার কোনো ধরনের রাজস্ব পাচ্ছে না।

আঞ্চলিক দলাদলি, ব্যবসায়ীদের আপত্তি, স্থানীয়দের অনীহা, চেয়ারম্যান-মেম্বারদের ভোট ব্যাংকে ক্ষতিসহ নানা কারণে অনেক প্রতিষ্ঠিত হাট-বাজার উপজেলা প্রশাসন ইজারা দিতে পারে না। সূত্র জানায়, ইজারার অর্থের একটি অংশ দিয়ে হাট-বাজারের উন্নয়ন হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ। উপজেলার অধিকাংশ হাট-বাজারের সরকারি জমি এখন অবৈধ দখলে। ড্রেন, টিউবওয়েল ও বাথরুমও দখলমুক্ত নয়। অনেক বাজারে পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থা নেই। পানি ও বর্জ্য নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বাজার জুড়ে সৃষ্টি হয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। অভিযোগ আছে, অনেক হাট-বাজার ও মসজিদ-মাদ্রাসার নামে উপজেলা প্রশাসন থেকে কম মূল্যে ইজারা নেয়া হয়। পরে প্রভাবশালীরা তা ভোগদখল করে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিয়ানীবাজারের কালিবাড়ি বাজার, গোডাউন বাজার, কাজিরবাজার, ওয়াব আলী মার্কেট, নালবহর বাজার, তিলপারা, দাসউরা, বিবিরাই, পিরেরচক বাজার, বালিঙ্গা, কাকরদিয়া, চারাবই বাজার, গোবিন্দশ্রী, আঙ্গুরা মোহাম্মদপুর, দুবাগের বন্দর এলাকা, টিকরপাড়া, জায়গীরদারসহ প্রতিষ্ঠিত অন্তত, ৪০টি বাজার ইজারা দেয়া হয় না। পৌর এলাকার অনেক হাট-বাজারও ইজারার তালিকায় নেই। উপজেলা বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবিবা মজুমদার বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তালিকা না আসলে আমরা অনেক হাট-বাজারের তথ্য পাই না। বিষয়টি নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন