ফের বিসিবিতে সুজন

ফের বিসিবিতে সুজন

ফন্ট সাইজ:

ক্রিকেটের অবকাঠামো শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্যে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজনকে ফের বিসিবিতে ফেরানো হচ্ছে। তৃণমূল পর্যায়ের ক্রিকেটে কোচিং করানোর দক্ষতার কারণে তাকে দেশের অনূর্ধ্ব-১৪, অনূর্ধ্ব-১৬ এবং অনূর্ধ্ব-১৮ দলের প্রধান পরামর্শক পদে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ দিয়েছে বিসিবি। গতকাল চুক্তির সকল আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ও কাগজপত্র চূড়ান্ত হয়েছে। জানা গেছে, বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের সরাসরি আগ্রহে এই নতুন কাঠামোর অধীনে এইজ গ্রুপ ক্রিকেটের চেয়ারম্যান মিনহাজুল আবেদীন নান্নুর সঙ্গে সমন্বয় ঘটিয়ে দেশের উদীয়মান তরুণ ক্রিকেটারদের গড়ে তোলার দায়িত্ব পালন করবেন সুজন। বিসিবি’র পরিচালনা পর্ষদে নির্বাচন না করলেও, এই অভিজ্ঞ দূরদর্শী ক্রীড়াবিদের কারিগরি জ্ঞানকে কাজে লাগাতে চেয়েছে শীর্ষ প্রশাসন।

আগামী দুই বছরের জন্য দায়িত্ব পাওয়া অভিজ্ঞ এই কোচ তিনটি বয়সভিত্তিক দলের পাইপলাইন মজবুত করার লক্ষ্যে মাঠের কাজের যাবতীয় রূপরেখা তৈরি ও বাস্তবায়ন করবেন। খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানার পর দীর্ঘদিন ধরে বিসিবি’র বিভিন্ন পদে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন সুজন। তিনি জাতীয় দলের সহকারী ম্যানেজার, কোচিং স্টাফ, টেকনিক্যাল ডিরেক্টর এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান কোচের কঠিন দায়িত্ব সফলভাবে সামলেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি লম্বা সময় ছিলেন বিসিবি’র পরিচালকও। ঢাকা ক্লাব ক্রিকেটের প্রধান শক্তি আবাহনী এবং প্রাইম ব্যাংকের মতো বড় দলে টানা ১৪-১৫ বছর ক্লাব কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। তিনি গেম ডেভেলপমেন্ট চেয়ারম্যান থাকাকালীন অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতকে হারিয়ে শিরোপা তুলে ধরে বাংলাদেশ।

একাধিক দ্বিপক্ষীয় সিরিজে জাতীয় দলের টিম ডিরেক্টরের গুরুদায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। তবে ২০২৪ এর ৫ই আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিসিবি’র পরিচালক পদ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। তবে প্রিমিয়ার লীগে নতুন ক্লাব গুলশান ক্রিকেট ক্লাবের দায়িত্বে যুক্ত হন সুজন। জানা গেছে, পরামর্শক হিসেবে নতুন দায়িত্বে চুক্তিবদ্ধ হলেও সুজনের জন্য কাজের অবাধ স্বাধীনতা ও সুযোগ বজায় রেখেছেন বোর্ড সভাপতি। বোর্ডের এই দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি ক্লাব ক্রিকেট, বিপিএল এবং রাজশাহীতে পরিচালিত নিজের ক্রিকেট একাডেমিতে নিয়মিত কোচিং কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন