স্বাস্থ্যবিধি প্রচারের লক্ষ্যে ঢাকা সিটি করপোরেশন এবং গুলশান সোসাইটির সহায়তায় ‘স্বাস্থ্যের জন্য স্বাস্থ্যবিধি বাংলাদেশ’ শীর্ষক দেশব্যাপী একটি স্বাস্থ্যবিধি সচেতনতা অভিযান শুরু করেছেন ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০২৬’ খেতাব প্রাপ্ত সামানজার সাঈদ।
রাজধানীর গুলশান লেকপার্কে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রম যৌথভাবে উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত এবং মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ সামানজার সাঈদ ।
আয়োজকরা জানিয়েছন, এই প্রচারাভিযানটি শিক্ষামূলক ও সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে দেশব্যাপী স্বাস্থ্যবিধি সচেতনতা প্রসারে তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের একত্রিত করবে। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ভিয়েতনামের ন্যা ট্রাং-এ অনুষ্ঠিতব্য মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬-এর গ্র্যান্ড ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন সামানজার সাঈদ।
অনুষ্টানের প্রধান অতিথি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণ মানুষের রোগ শনাক্ত করতে এবং দেশের প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কেউ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না। জনগণের স্বাস্থ্যের যত্ন নিশ্চিত করতে এবং মারাত্মক রোগগুলো প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করতে সরকার সারা দেশে ‘হোম-টু-হোম হেলথ স্ক্রিনিং’ (ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা) কার্যক্রম শুরু করবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সুস্থ থাকতে হলে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে থাকার বিকল্প নেই। একটি সুস্থ ও জ্ঞানভিত্তিক সমৃদ্ধ জাতি গঠনের পূর্বশর্ত হলো জনসচেতনতা ও সুস্বাস্থ্য।
গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত বলেন, স্বাস্থকেন্দ্র বা হাসপাতালে স্বাস্থ্য সেবার পাশাপাশি প্রতিটি ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য স্বচেতনতা বাড়াতে হবে। পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা মজবুত করতে হবে। তিনি মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০২৬ এর খেতাব প্রাপ্ত সামানজার সাঈদ-এর এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং বলেন, তার এই উদ্যোগ দেখিয়েছে যে কীভাবে নাগরিক সংগঠন এবং জাতীয় মঞ্চগুলো সম্প্রদায়ের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করতে পারে।
অনুষ্ঠানে সভায় ও মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের ন্যাশনাল ডিরেক্টর আজরা মাহমুদ, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, গুলশান সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান মৃধাসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রতীকীভাবে পায়রা ও পচনশীল বেলুন উড়িয়ে এবং দেশব্যাপী স্বেচ্ছাসেবক নিবন্ধন শুরুর মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।
