টেস্ট প্রস্তুতিকেই বেছে নিলেন তাসকিন। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের আর্থিক প্রলোভন নয়। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলাকেই বেশি গুরুত্ব দিলেন ডানহাতি এ পেসার। আসন্ন দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতি ঠিক রাখতে লঙ্কা প্রিমিয়ার লীগ (এলপিএল) থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেন তাসকিন। জিম্বাবুয়ে সফর শেষে বুধবার দলের সঙ্গে ঢাকায় ফেরেন তিনি।
এলপিএল শুরুর আগেই টাইগার পেসার তাসকিনকে দলে ভেড়ায় জাফনা কিংস ফ্র্যাঞ্চাইজি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলার পর তার শ্রীলঙ্কার যাওয়ার কথা ছিল। পরে টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য থেকে যান তাসকিন। শোনা যাচ্ছিল, ওই সিরিজ শেষে ডানহাতি এ পেসার এলপিএলে ঝড় তুলবেন।
তবে শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ান তাসকিন। আগস্টে অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবে বাংলাদেশ দল। ২০০৩ সালের পর প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলবে টাইগাররা। দুই ম্যাচের এই সিরিজটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপেরও (ডব্লিউটিসি) অংশ। ফলে সিরিজটির গুরুত্ব বাড়তি। সেই বিবেচনায় এবার এলপিএলে খেলা হলো না ঢাকা এক্সপ্রেসের।
টুর্নামেন্টে খেলার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকে এলপিএলে খেলার জন্য অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পেয়েছিলেন তাসকিন। সে কারণে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে না খেলার পরিকল্পনাও ছিল তার। তবে মোস্তাফিজুর রহমান চোটে পড়ায় তিনি জিম্বাবুয়েতেই থেকে যান। শেষ পর্যন্ত সিরিজেও অংশ নেন তিনি।
তাসকিন ক্রিকবাজকে বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি এলপিএল থেকে সরে দাঁড়িয়েছি। মূল কারণ অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতি। জিম্বাবুয়েতে টানা ছয়টি ম্যাচ খেলেছি। এলপিএলে হয়তো আরও চারটি ম্যাচ খেলতে হতো। এরপর দেশে ফিরে সঙ্গে সঙ্গেই অস্ট্রেলিয়া যেতে হলে আমার টেস্ট প্রস্তুতি ব্যাহত হতো।’
তাসকিন আরও বলেন, ‘কিছুটা আর্থিক ক্ষতি হলেও আমি মনে করি, সমস্যা নেই। অস্ট্রেলিয়ার মতো টেস্ট সিরিজ বারবার আসে না। তাই এনওসি থাকার পরও এলপিএল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
তাসকিনের সরে দাঁড়ানোর ফলে এবারের এলপিএলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব কমে এলো। সাকিব আল হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদ খেলবেন এই আসরে। এর আগে চোটের কারণে টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করেছিলেন লিটন দাসও।
