অপরাধ থেকে সরছে না পপি, সঙ্গে শিউলিও

অপরাধ থেকে সরছে না পপি, সঙ্গে শিউলিও

ফন্ট সাইজ:

সিলেটে আলোচিত পপি বেগম গত দশ বছরে গ্রেপ্তার হয়েছে অসংখ্য বার। কারও কারও ধারণা, প্রতি বছর দুই থেকে তিন বার গ্রেপ্তার হয়েছে পপি। পুলিশ ধরছে, ছাড়াও পাচ্ছে। জেল থেকে বেরিয়ে ফের জড়িয়ে পড়ছে অপরাধে। তার এই অপরাধ যাত্রা থামছে না। পপি বেগম। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সবার জানা। নগরের সচেতন মানুষও তার নাম জানেন। তার অপরাধ কর্মকাণ্ড নিয়ে অস্থির থাকেন আশপাশের মানুষ। সিলেটের আলোচিত সেই পপি ফের গ্রেপ্তার হয়েছে। এবার সঙ্গে তার সহযোগী শিউলি বেগমও গ্রেপ্তার হয়েছে। শিউলির বসবাসও পপির বাসায়। স্বামী শামীম আহমদ। নগরের সুবহানীঘাটের আল-হারমাইন হাসপাতাল। নামিদামি ডাক্তারদের চেম্বার এ হাসপাতালে। বিকাল থেকেই রোগী ও স্বজনদের গিজ গিজ থাকে আউটডোরে। ভিড় এতটাই, ঠেলাঠেলিও হয়। আর এই সুযোগে সন্ধ্যায় আলোচিত মহিলা চোর ও ছিনতাই চক্রের প্রধান পপি সহযোগী শিউলিকে নিয়ে সেখানে হাজির হয়।

রোগী ও স্বজনদের ভ্যানেটি ব্যাগ থেকে মোবাইল, টাকা পয়সা চুরি করার সময় হাতেনাতে জনতার হাতে আটক হয়। এরপর পুলিশ গিয়ে পপিকে নিয়ে আসে কোতোয়ালি থানায়। সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট পপি ও শিউলিকে ৬ মাসের সাজা দিয়েছেন। কোতোয়ালি থানার ওসি খান মো. মাইনুল জাকির জানিয়েছেন, সাজা প্রদানের পর পপিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে এ পদ্ধতি সিলেটের মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুনই। পপিসহ সিলেটে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্র রয়েছে। যারা নগর জুড়ে চুরি ও ছিনতাই করে বেড়ায়। আদালতপাড়ায় তাদের রয়েছে শক্তিশালী দালাল সিন্ডিকেট। তাদের জামিনের জন্য কাজ করে। এসব অপরাধী চক্র বারবারই গ্রেপ্তার হচ্ছে। পরবর্তীতে বেরিয়েও যাচ্ছে। এ কারণে মেট্রোপলিটন পুলিশ এখন ভ্রাম্যমাণ আদালতের শরণাপন্ন হয়েছে। এসব অপরাধীদের ধরে ধরে সাজা দিচ্ছেন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন