এপস্টেইন নথি নিয়ে ‘গভীর উদ্বেগে’ প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট

এপস্টেইন নথি নিয়ে ‘গভীর উদ্বেগে’ প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট

ফন্ট সাইজ:

যুক্তরাষ্ট্রের দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইন সংক্রান্ত নতুন প্রকাশিত নথি ঘিরে ফের অস্বস্তিতে পড়েছে বৃটেনের রাজপরিবার। এই প্রেক্ষাপটে প্রিন্স অব ওয়েলস উইলিয়াম ও তার স্ত্রী কেট মিডলটন বলেছেন, চলমান প্রকাশ্য তথ্যগুলো তাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করেছে। নথিগুলোতে রাজা চার্লসের ভাই প্রিন্স অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরকে ঘিরে নতুন ও গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

সোমবার এক বিবৃতিতে প্রিন্স ও প্রিন্সেস অব ওয়েলসের মুখপাত্র জানান, এপস্টেইন নথি প্রকাশ নিয়ে তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের ভাবনা ও সহানুভূতি সবসময় ভুক্তভোগীদের সঙ্গেই রয়েছে। সৌদি আরব সফরে যাওয়ার আগে উইলিয়ামের পক্ষ থেকে দেয়া এটিই এখন পর্যন্ত রাজপরিবারের সবচেয়ে স্পষ্ট ও কঠোর প্রতিক্রিয়া বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে গত অক্টোবরে রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলা বলেছিলেন, তাদের সহানুভূতি নির্যাতনের শিকার ও বেঁচে যাওয়া ভুক্তভোগীদের প্রতি। তবে উইলিয়াম ও কেটের এই মন্তব্য রাজপরিবারের অবস্থানকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরেছে।
অ্যান্ড্রুকে ঘিরে বিতর্ক রাজপরিবারের জন্য এখনো ‘কাঁটা’ হয়েই আছে। সম্প্রতি উত্তর ইংল্যান্ডের ক্লিথেরো শহরে সফরের সময় এক ব্যক্তি রাজা চার্লসকে উদ্দেশ্য করে চিৎকার করে প্রশ্ন করেন, অ্যান্ড্রু আর এপস্টেইন সম্পর্কে আপনি কতদিন ধরে জানতেন?

এপস্টেইন নথির প্রভাব রাজনীতি পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। গত ১০ দিনে এসব প্রকাশনা প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারকেও বড় সংকটে ফেলেছে। এপস্টেইনের পরিচিত পিটার ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে বৃটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেয়ার কারণে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে সরকার।
নথিতে দেখা যাচ্ছে, ২০০৯ ও ২০১০ সালে ম্যান্ডেলসনও এপস্টেইনের সঙ্গে সংবেদনশীল সরকারি নথি ভাগ করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সরকারি দায়িত্বে অসদাচরণের অভিযোগে পুলিশ তদন্ত করছে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন