বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তর ঢাকার পিলখানায় দেড় দশক আগে ঘটে যাওয়া বিদ্রোহে নিহত সেনা সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল সকাল ১০টা ৫ মিনিটে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে প্রথমে প্রেসিডেন্ট এবং পরে প্রধানমন্ত্রী শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। ফুল দেয়ার পর এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং সামরিক বাহিনীর সদস্যরা স্যালুট জানান। পরে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, তিন বাহিনী প্রধান- সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান এবং সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পিলখানায় নিহত সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্য এবং নিকট আত্মীয়রাও উপস্থিত ছিলেন বনানীর সামরিক কবরস্থানে।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬শে ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদরদপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছর বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভীষিকাময় ও শোকাবহ এ দিনটি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়। সেই বিদ্রোহের পর সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের নাম বদলে যায়, পরিবর্তন আসে পোশাকেও। এ বাহিনীর নাম এখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি।
বিদ্রোহের বিচার বিজিবি’র আদালতে হলেও হত্যাকাণ্ডের মামলা বিচারের জন্য আসে প্রচলিত আদালতে। ওই ঘটনায় দু’টি ফৌজদারি মামলা করা হয়। এর একটি ছিল হত্যা মামলা, অন্যটি বিস্ফোরক আইনের মামলা।
পিলখানায় শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
স্টাফ রিপোর্টার
২৬ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%

Sakhawat
৪ মাস আগেএই প্রেসিডেন্ট কোন সাধারণ মানুষ নয় লা!
না জানি জনাব তারেক রহমান কোন বিপদে পড়েন ! আল্লাহ্ তারেক রহমানের সহায় হোন ।