হবিগঞ্জ ও শায়েস্তাগঞ্জের উন্নয়নে জি কে গউছ

ফন্ট সাইজ:

হবিগঞ্জের কৃতী সন্তান, বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছের দীর্ঘ প্রায় চার দশকের রাজনৈতিক জীবনে জনকল্যাণ এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকাসহ হবিগঞ্জ ও শায়েস্তাগঞ্জের উন্নয়নের জন্য আলোচিত একটি নাম। স্থানীয়দের অনেকেই তাকে ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ হিসেবে অভিহিত করেন। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে তিনি জনসেবাকেই অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে আসছেন বলে সমর্থকদের দাবি। হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে শহরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং আধুনিক নগর ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। বর্তমানে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর হবিগঞ্জ-৩ আসনের উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দায়িত্ব গ্রহণের পর অল্প সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, নতুন প্রকল্প গ্রহণ এবং দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তার সমর্থকদের মতে, পূর্ববর্তী দীর্ঘ সময়ের তুলনায় বর্তমান সময়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে দৃশ্যমান গতি এসেছে। জাতীয় সংসদে এক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছিলেন, সিলেটের অভিভাবক আপনি নিজে, আমাদের অভিভাবক আর কেউ নেই। তার এই বক্তব্য বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছিল বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। হবিগঞ্জ শহরকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিত নগরীতে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে তিনি বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন বলে জানা যায়।

শুধু হবিগঞ্জ নয়, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার উন্নয়নেও তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। শায়েস্তাগঞ্জকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে সড়ক উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, বাজার ও যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং জনসাধারণের নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের কথা স্থানীয়রা উল্লেখ করেন। জানা যায়, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ জেলার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক উন্নয়নেও তিনি অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। একইসঙ্গে বৃহত্তর সিলেট বিভাগের সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়েও তার পরিকল্পনা রয়েছে।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন। তার সমর্থকদের দাবি, বিগত সরকারের আমলে তিনি কারাবরণসহ বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। সেই কঠিন সময়েও তিনি দলের নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে ভূমিকা রেখেছেন। ফলে হবিগঞ্জ ও শায়েস্তাগঞ্জসহ পুরো এলাকায় উন্নয়ন, মানবিক নেতৃত্ব এবং জনসেবার প্রতীক হিসেবে তার নাম আজও আলোচনায় রয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংসদ সদস্য হিসেবে তার নেতৃত্বে হবিগঞ্জ ও শায়েস্তাগঞ্জে উন্নয়নের ধারা আরও বেগবান হবে এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কর্মসংস্থান ও নাগরিক সুবিধার ক্ষেত্রে নতুন নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে জেলার সামগ্রিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন