দখল ও অবৈধ স্থাপনায় সংকুচিত ডাকাতিয়া নদী

দখল ও অবৈধ স্থাপনায় সংকুচিত ডাকাতিয়া নদী

ফন্ট সাইজ:

তিন উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া কুমিল্লার লাকসামের ডাকাতিয়া নদী চাঁদপুর হয়ে মেঘনা নদীতে মিলিত হয়েছে। তবে বর্তমানে নদীর দুই তীর দখল ও বিভিন্ন মার্কেট নির্মাণ করায় ৪০০ ফিট দৈর্ঘ্য নদীটি বর্তমানে সংকুচিত হয়ে ১০০ থেকে ১৫০ ফিটে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া, বিভিন্ন কারখানার ময়লা ও বাসাবাড়ির সেপটিক ট্যাংকের লাইন নদীতে দেয়ায় পানি দূষিত হচ্ছে। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, নদীতে এক সময় পাল তুলে নৌকা চলতো। চাঁদপুর, মনোহরগঞ্জ বাগমারা শান্তির হাটসহ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন মালামাল পরিবহন করা হতো। কিন্তু নদীর রাজঘাটসহ বিভিন্ন স্থানে বাড়িঘর নির্মাণ করায় নদীর পাড় সংকুচিত হয়ে ঠিকমতো পানি প্রবাহিত হচ্ছে না।

এ ছাড়া, গত সরকারের আমলে নদীটি সংস্কার ও খনন করার উদ্যোগ নেয় স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। তখন নদীর দুই তীরে সীমানা নির্ধারণ করে লাল নিশান টাঙিয়ে দেয়া হয়। তখন ব্যাংক রোডের অনেক দোকান ভাঙতে হয়। সে সময় মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ও রাজঘাট আব্দুল্লাহ মেনশন নামের মার্কেটটি বাঁচানোর জন্য জামায়াতের এক নেতা আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।

পরে রাতারাতি হয়ে পড়েন ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ নেতা। সেই সুবাধে তখন মার্কেটটি ভাঙা হয়নি। কিন্তু ৫ই আগস্টের পট পরিবর্তনের পর আবারো ওই নেতা জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সংযুক্ত হয়। তবে জামায়াতের অনেক নেতা বিষয়টিকে ভালোভাবে নেয়নি। এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের কাছে নদীটির সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে নদীতে পিলার স্থাপন করার দাবি জানান। এই ব্যাপারে মানবজমিনের প্রতিনিধির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সংসদ সদস্য আবুল কালাম বলেন, নদীর দুই তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। যে যত বড় রাজনৈতিক দলের নেতা হোক, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন