ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের দিনেও দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দেশের দুটি ভিন্ন শহরের দুটি সামরিক ঘাঁটিতে বেশ কয়েকটি হামলা চালানো হয়েছে। তবে সিএনএন-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী এই মুহূর্তে ইরানে কোনো হামলা চালাচ্ছে না। অন্যদিকে ইসরাইলি কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, এই হামলার সাথে ইসরাইলের কোনো ধরনের জড়িত থাকার তথ্য তাদের জানা নেই। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা বুশেহর প্রদেশের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক উপ-গভর্নর এহসান জাহানিয়ানের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, বুশেহর শহরের কাছের একটি সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি শত্রুদের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তবে সেখানে ক্ষয়ক্ষতির বা হতাহতের সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
উল্লেখ্য, এই বুশেহর শহরের উপকণ্ঠেই ইরানের প্রধান পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অবস্থিত। একই সময়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবি জানিয়েছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় কোনারক শহরের একটি নৌ-সামরিক জোনে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শত্রুদের যুদ্ধবিমান দুই দফায় হামলা চালিয়েছে এবং কোনারক কাউন্টির গভর্নর মোহাম্মদ ইউনেস হকানি জানান, উদ্ধারকারী দল ও নিরাপত্তা বাহিনী বর্তমানে ঘটনাস্থলে কাজ করছে। ওমান উপসাগরের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত কোনারক একটি কৌশলগত বন্দর নগরী, আর বুশেহর শহরটি ইরানের দক্ষিণ উপকূলীয় প্রদেশে অবস্থিত।
