জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওডিআই ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ের লজ্জা নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। বোলারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরেও ১১৬ রানে অলআউট হয়ে ২৫ রানে হারে টাইগাররা। নাহিদ রানা নেন ২১ রানে ৬ উইকেট। মূলত তার আগুনে বোলিংয়ে ১৪১ রানে থামে জিম্বাবুয়ে।
তবে সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলের ৯ ব্যাটারই দুই অঙ্কের কোটা পেরুতে পারেনি। বিষয়টি নিয়ে কঠোর সমালোচনা চলছে ক্রিকেট পাড়ায়। জিম্বাবুয়ের পেসারদের সামনে শান্ত-সৌমরা ছিলেন দিশেহারা। তাদের দায়িত্বজ্ঞানহীন শট খেলে উইকেট বিলিয়ে দেয়া ছিল চরম অবমাননাকর। গত ম্যাচের সেই চরম ব্যর্থতা ভুলে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া বাংলাদেশ। দলের অভিজ্ঞ কোচিং স্টাফদের মূল লক্ষ্য এখন টপ অর্ডারের ব্যাটিং দৈন্যদশা কাটানো। দলের এমন হারের কারণ কি! জাতীয় দলের এক নির্বাচক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ‘দেখেন কোন কিছু অযুহাত হিসেবে দাড় করানো যাবেনা। আমার কাছ মনে হয়েছে অতিআত্মবিশ্বাই সর্বনাশ করেছে। জিম্বাবুয়েকে ছোট করে দেখার খেসারত দিয়েছে।’
ওডিআই সিরিজে টিকে থাকতে হলে জয় ছাড়া বিকল্প নেই। ব্যাটিং অর্ডারে নাজমুল হোসেন শান্ত ও তৌহিদ হৃদয়, লিটন দাস দলের ভরসার প্রতীক। তাদের দায়িত্বশীল ব্যাটিং জয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে। প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যার্থতায় জিতে তারা ভীষণ আত্মবিশ্বাসী। তবে পরিসংখ্যানে এগিয়ে বাংলাদেশ। গত ১০ ম্যাচের পরিসংখ্যানে ৭ জয়ই বলে দেয় তারা শক্ত অবস্থানে আছে।
বোলিং আক্রমণে নাহিদ রানার সঙ্গে মোস্তাফিজুর রহমান জুটি জ্বলে উঠলে জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের ঠেকানো সহজ হবে প্রথম ম্যাচের মত। তবে চিন্তার নাম ব্যাটিং ব্যার্থতা! টেস্টে হারের পর প্রথম ওয়ানডেতেও নিজেদের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যাটিংয়ে মিলছে লজ্জার হার। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ অবশ্য ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ঘুড়ে দাড়াতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন।
