বর্তমান সরকার একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে। তাই জনগনের প্রতি এই সরকারের দায়বদ্ধতা আছে এবং জনগণের কাছে জবাবদীহিতা করে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা এবং বিএনপি'র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। গতকাল দুপুরে সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিএলআরআই) এগ্রিকালচার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এ্যাব এর উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী উদ্বোধন ও গাছের চারা বিতরণ শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমরা পরিবেশের একটা চরম সংকটকালীন অবস্থায় রয়েছি। উন্নত দেশের তুলনায় অনেক পিছিয়ে আছি। একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থার সমিক্ষায় দেখা গেছে আমরা পরিবেশ দুষণের দিক দিয়ে অনেক পিছনে অর্থাৎ ১৭৩ নাম্বারে আছি। আমরা নির্বিচারে গাছ কেটে ফেলছি, আমরা নির্বিচারে খাল ভরাট ও দখল করছি, আমরা পুকুর ভরাট করে ফেলছি। এই পরিবেশ আমাদেরকে আক্রান্ত করছে, অসুস্থ্য করছে। তিনি আরও বলেন, আমাদের জিডিপির প্রায় ১৮-১৯ শতাংশ টাকা স্বাস্থ্যক্ষতিতে ব্যায় হয়।
এই স্বাস্থ্যক্ষতি হচ্ছে পরিবেশের জন্য। শুধু তাই নয়, বিশ^ ব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে বাংলাদেশের ৩২ শতাংশ মৃত্যু হচ্ছে এই পরিবেশ দুষণের কারনে। অথচ আমাদের বন উজার হয়ে যাচ্ছে, নদীতে পানি নাই,খাল শুকিয়ে গেছে, বৃষ্টি আসবে কোত্থেকে, মেঘ উৎপন্ন হবে কোথা থেকে। পরিবেশ দুষণের জন্য অপরিকল্পিত নগরায়নকে দায়ী করে রুহুল কবির রিজভি আরও বলেন, আজকে যেখানে সেখানে বিল্ডিং নির্মাণ করা হচ্ছে। কৃষি জমিতে বিল্ডিং নির্মাণ করা হচ্ছে। এই বিষয়গুলোতে সরকারকে শক্ত হাতে ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।
বর্তমানে পরিবেশ ভয়ঙ্কররকম একটা পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে। এখনই যদি আমরা সচেতন না হই, এখনই যদি আমরা এব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেই, আমরা আসন্ন একটি ধ্বংসকে মোকাবেলা করার জন্য এখনই যদি প্রস্তুতি না নেই তাহলে আমরা ভয়ঙ্কর বিপদের মধ্যে পড়ে যাবো। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা ১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, এ্যাবের সভাপতি কৃষিবিদ ড. কামরুজ্জামান কায়সার, সদস্য সচিব কৃষিবিদ শাহাদাত হোসেন বিপ্লব প্রমুখ।

শামীম
২ ঘন্টা আগেভাই কারেন্টের বিল কমান, বিল দ্বিগুণের বেশি আসছে, বিল দিলে বাজার করার টাকা থাকবে না।