ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে ইউরোপের ক্ষোভে কেন চিন্তিত নন ইনফান্তিনো

বিবিসির বিশ্লেষণ

ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে ইউরোপের ক্ষোভে কেন চিন্তিত নন ইনফান্তিনো

ফন্ট সাইজ:

গিয়ান্নি ইনফান্তিনো টানা ১০ বছর ধরে ফিফার সভাপতি। আগামী বছর তিনি আবারও পুনঃনির্বাচনের মুখোমুখি হবেন। ফিফা পিস প্রাইজ চালু করা, বিশ্বকাপের টিকিটের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি কিংবা সম্প্রসারিত ক্লাব বিশ্বকাপ- ইনফান্তিনোর নেতৃত্বে ফিফার একের পর এক এমন সিদ্ধান্ত বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে খেলা ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে তাকে খেলতে দেয়ার নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত কি শেষ পর্যন্ত ইনফান্তিনোর জন্য সবচেয়ে বড় সংকট হয়ে উঠতে পারে?

যৌথ আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে এবারের বিশ্বকাপে তিন গোল করে দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ে পরিণত হয়েছেন বালোগান। বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে লাল কার্ড দেখলেও, বিশ্বকাপের নিয়ম অনুযায়ী লাল কার্ডের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ না থাকা সত্ত্বেও তিনি পরের ম্যাচে খেলার অনুমতি পেয়েছেন। সোমবার প্রাথমিক সিদ্ধান্তের ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় পর ফিফা ৮৭১ শব্দের একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। কিন্তু সেখানে কেন এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা ছিল না।
তবে অন্য একজন এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি কি ইনফান্তিনোর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন? তখন তিনি বলেন, এটা করানোর পেছনে আমিই ছিলাম। ট্রাম্পের দাবি, তিনি শুধু বিষয়টি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছিলেন। তিনি ইনফান্তিনোকে নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করতে বলেননি। কিন্তু একজন রাষ্ট্রপ্রধানের এমন হস্তক্ষেপ ঘটেছে- এটাই বিশ্ব ফুটবলে বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রে অনেকের যুক্তি ছিল, বালোগানের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে। বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে লাল কার্ড দেখে ম্যাচের বাকি সময় মাঠের বাইরে থাকাই যথেষ্ট শাস্তি ছিল। আরেক ম্যাচ নিষিদ্ধ হওয়া উচিত নয়।

ট্রাম্পও একই যুক্তি তুলে ধরেন।
ইনফান্তিনো অবশ্য রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি স্বাধীনভাবে কাজ করেছে। কিন্তু বাস্তবতার পাশাপাশি মানুষের ধারণাও গুরুত্বপূর্ণ। এই সিদ্ধান্ত কোনো সাধারণ দলের পক্ষে যায়নি; গেছে বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে। আর সেই দেশের নেতৃত্বে আছেন ট্রাম্প। তিনি বহুবার ইনফান্তিনোর পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং প্রকাশ্যে তাকে নিজের বন্ধু বলেছেন। অনেকের কাছেই বালোগানের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত হওয়া যেন প্রেসিডেন্টের দেয়া ক্ষমার আদেশের মতো মনে হয়েছে। সাবেক লিভারপুল কোচ জুর্গেন ক্লপ বলেন, এটা আমাদের খেলা, তাদের নয়। যদি ডনাল্ড ট্রাম্প আর গিয়ান্নি ইনফান্তিনো নিজেদের মধ্যে বসে বিষয়টি ঠিক করে থাকেন, তাহলে সেটা উন্মাদনা। এতে পুরো ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতাই প্রশ্নের মুখে পড়ে।

ফিফার নিয়মই বলে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ নিষিদ্ধ
ফিফার গঠনতন্ত্র স্পষ্টভাবে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ নিষিদ্ধ করেছে। সরকার জাতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কাজে হস্তক্ষেপ করায় বিভিন্ন দেশকে নিয়মিত আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। উদাহরণ হিসেবে পাকিস্তান গত আট বছরে তিনবার নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছে। তাহলে ইনফান্তিনো ও ট্রাম্পের ক্ষেত্রে কি নিয়ম আলাদা? বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে উদ্বোধনী ফিফা পিস প্রাইজ দেয়া হয়েছিল। অনেকের মতে, সেটিই ছিল গত দুই বছরে ইনফান্তিনোর সঙ্গে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সবচেয়ে বড় প্রকাশ। পুরস্কার তুলে দেয়ার সময় ইনফান্তিনো বলেন- মি. প্রেসিডেন্ট, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বিশ্বকে আরও সমৃদ্ধ করতে ফুটবল পরিবার সবসময় আপনার পাশে থাকবে।

মানবাধিকার সংগঠন ফেয়ারস্কয়ার গত ডিসেম্বরে ফিফার নৈতিকতা কমিটির কাছে অভিযোগ করে, এই পুরস্কার চালুর মাধ্যমে ইনফান্তিনো রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নীতি ভঙ্গ করেছেন। কোনো উত্তর না পাওয়ায় গত মাসে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ৫০ জন সদস্য আবারও চিঠি দিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান। কিন্তু ফিফার অনেক ঘটনার মতো এবারও কোনো জবাব মেলেনি।
বিশ্বকাপ চলাকালে ট্রাম্প একটি ম্যাচও মাঠে গিয়ে দেখেননি। তবু বালোগানের ঘটনাকে তিনি নিজের সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেছেন। এটিও এমন একটি উদাহরণ, যেখানে মাঠের ফুটবলের চেয়ে বাইরের ঘটনাই বেশি আলোচিত হয়েছে। এর আগেও সোমালিয়ার রেফারি ওমর আরতানের ঘটনা নিয়ে সমালোচনায় পড়েছিল ফিফা। মার্কিন অভিবাসন কর্মকর্তারা তাকে দেশে ঢুকতে না দেয়ায় অভিযোগ ওঠে, ইনফান্তিনো নিজের বিশ্বকাপই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। তিন বছরের বেশি সময় পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ইনফান্তিনো শুধু বলেন- শান্ত হোন, আরাম করুন।

বিতর্ক যেন সবসময় তার চারপাশেই ঘুরপাক খাচ্ছে। আর প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই অনুপস্থিত ছিল স্বচ্ছতা। ইংল্যান্ড-মেক্সিকো ম্যাচের কিক-অফ সময় প্রথমে পরিবর্তন করে পরে আবার আগের সিদ্ধান্তে ফিরে যাওয়া এবং এমন কিছু ঘটেনি বলে আচরণ করা- এরও একটি উদাহরণ। বালোগানের ঘটনাও যেন একই ধাঁচের। কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হয়। ফুটবল বিশ্বকে শুধু তা মেনে নিতে বলা হয়।

একের পর এক বিতর্ক
সাম্প্রতিক সব বিতর্কের তালিকা করতে গেলে অনেক সময় লাগবে। তবে ২০৩০ ও ২০৩৪ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনের সিদ্ধান্তই ধরা যাক। দুই বছর আগে ঠিক করা হয়, ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ হবে আফ্রিকা, ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকা এই তিন মহাদেশে। ফলে ২০৩৪ সালের আসর স্বাভাবিকভাবেই এশিয়া বা ওশেনিয়ার কোনো দেশে যাওয়ার পথ খুলে যায়। বাস্তবে কোনো শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায় সৌদি আরবের আয়োজক হওয়া। কাতারের মতো সৌদি আরবের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়েও দীর্ঘদিন প্রশ্ন রয়েছে। ইনফান্তিনোর নেতৃত্বে ফিফার সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কও ক্রমশ ঘনিষ্ঠ হয়েছে। নরওয়ের ফুটবল ফেডারেশন ভোটদানে বিরত থেকে বলেছিল, এই বিড প্রক্রিয়া ফিফার সুশাসন সংস্কারকে দুর্বল করেছে এবং ফিফার প্রতি আস্থা ক্ষুণ্ন করেছে।
আবার সম্প্রসারিত ক্লাব বিশ্বকাপ নিয়েও ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। অনেকের মতে, ক্লাব ফুটবলের বিপুল অর্থনৈতিক বাজারে অংশীদার হতে চেয়েই ফিফা এই টুর্নামেন্ট চালু করেছে। বিশ্ব খেলোয়াড় ইউনিয়ন ফিফপ্রো-এর সভাপতি সার্জিও মারকি গত বছর বলেন, সংলাপ, সংবেদনশীলতা ও সম্মান- কোনোটিই না রেখেই এই টুর্নামেন্ট চালু করা হয়েছে। এবার বালোগানের ঘটনাও এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, ফিফার সাবেক সভাপতি সেপ ব্ল্যাটার পর্যন্ত নৈতিক অবস্থান নেয়ার সুযোগ পান। তিনি এক্সে লিখেছেন, ফুটবল কখনোই রাজনৈতিক ক্ষমতার খেলাঘর হতে পারে না।
উল্লেখ্য, দুর্নীতিকাণ্ডের জেরে ব্ল্যাটারকেই একসময় ফিফা সভাপতির পদ ছাড়তে হয়েছিল। ২০১৬ সালে তার স্থলাভিষিক্ত হন ইনফান্তিনো।

উয়েফা কি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামবে?
মঙ্গলবার উয়েফা বালোগানের সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে জানায়, ফিফা একটি লাল রেখা অতিক্রম করেছে। সংস্থাটি এই সিদ্ধান্তকে নজিরবিহীন, দুর্বোধ্য এবং অযৌক্তিক বলে বর্ণনা করে। তবে উয়েফা ও ফিফার দ্বন্দ্ব নতুন নয়। ২০২৫ সালের মে মাসে ফিফা কংগ্রেসে ইনফান্তিনো দুই ঘণ্টা ১৭ মিনিট দেরিতে পৌঁছালে উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্দার চেফেরিনের নেতৃত্বে ইউরোপের প্রতিনিধিরা প্রতিবাদ হিসেবে সভা থেকে বেরিয়ে যান। ইনফান্তিনো তখন ট্রাম্পকে সঙ্গে নিয়ে মধ্যপ্রাচ্য সফরে ছিলেন। বিশ্বকাপ চলাকালেও উয়েফা একাধিকবার ফিফাকে পরোক্ষভাবে খোঁচা দিয়েছে। ওমর আরতান সোমালিয়ায় ফিরে যাওয়ার পরপরই উয়েফা ঘোষণা দেয়, তাকে ১২ আগস্ট পিএসজি ও অ্যাস্টন ভিলার মধ্যকার উয়েফা সুপার কাপের রেফারি করা হয়েছে। এ বছর জুড়েই উয়েফা বিশ্বকাপের তুলনায় ইউরো ২০২৮-এর টিকিট অনেক সস্তা- এ কথাও বারবার তুলে ধরেছে। এ ছাড়া তারা জানিয়েছে, ইউরোতে অতিরিক্ত গরমের বিরতি বা মুখ ঢেকে কথা বললে লাল কার্ডের নিয়ম থাকবে না। একসময় উয়েফাতেই কাজ করতেন ইনফান্তিনো। বহু বছর তিনি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ড্র পরিচালনা করেছেন। এখনও তিনি উয়েফায় পুরোপুরি অবাঞ্ছিত নন। ফেব্রুয়ারিতে উয়েফা কংগ্রেসেও বক্তব্য দিয়েছেন। তবে দুই পক্ষের সম্পর্ক যে টানাপড়েনপূর্ণ, তা স্পষ্ট।

তাহলে কি ইনফান্তিনোর চেয়ার নড়বড়ে?
বাস্তবতা হলো, সম্ভবত নয়।
বিশ্বজুড়ে অসংখ্য জাতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কাছে ইনফান্তিনো এখনও জনপ্রিয়। এর বড় কারণ ফিফা ফরওয়ার্ড কর্মসূচি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফুটবল উন্নয়নে অর্থায়ন করা হয়েছে। এ ছাড়া বিশ্বকাপ ৪৮ দলে সম্প্রসারণের ফলে আরও ১৬টি দেশ অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছে। এর বেশির ভাগ অতিরিক্ত স্থান গেছে ইউরোপের বাইরে অপেক্ষাকৃত দুর্বল কনফেডারেশনগুলোর জন্য। ইউরোপ পেয়েছে মাত্র তিনটি অতিরিক্ত স্থান। এই বিশ্বকাপ দেখিয়েছে, শীর্ষ পর্যায়ের বাইরে এশিয়া ও কনকাকাফের দেশগুলোর এখনও অনেক উন্নতি প্রয়োজন। তবে ইনফান্তিনো এমন সব দেশের সামনে স্বপ্নের দরজা খুলে দিয়েছেন, যারা আগে কখনও বিশ্বকাপে খেলতে পারেনি। কেপ ভার্দে, কুরাসাও, জর্ডান ও উজবেকিস্তানের মতো দেশ এখন বিশ্বকাপের স্বপ্ন বাস্তবে দেখছে। ৪৮ দলের বিশ্বকাপ নিয়ে যত সমালোচনাই থাকুক, কেপ ভার্দের মতো দেশের জন্য এটি ছিল ঐতিহাসিক সুযোগ। এতে নতুন ফুটবল দেশগুলোও ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়ে ওঠার সুযোগ পাচ্ছে, যা বিশ্ব ফুটবলের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করা হয়।

তবে এর একটি মূল্যও আছে।
বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্ট এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল টিকিট বিক্রির অর্থ দিয়েই এসব উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালিত হয়। এ বছর ফিফার আয় প্রায় ৯০০ কোটি ডলার হওয়ার কথা। উয়েফা ফিফা বা ইনফান্তিনোর অনেক নীতির বিরোধিতা করতে পারে। কিন্তু ইউরোপীয় ফুটবল নিজেই অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী। তারা নিজেদের ব্যয় নিজেরাই বহন করতে পারে। অন্যদিকে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ ফিফার অর্থায়নের ওপর নির্ভরশীল। ফিফার সদস্য সংখ্যা ২১১টি। সভাপতি নির্বাচনে জিততে প্রয়োজন ১০৬ ভোট।
অঙ্কটা করলে ছবিটা পরিষ্কার হয়ে যায়।
এপ্রিল মাসে দক্ষিণ আমেরিকার কনমেবল জানিয়ে দেয়, তাদের ১০টি দেশই ইনফান্তিনোকে সমর্থন করবে। তিন সপ্তাহ পর আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন (ক্যাফ) তাদের ৫৪টি সদস্য দেশের সর্বসম্মত সমর্থনের ঘোষণা দেয়। এরপর এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের ৪৭টি দেশও একই অবস্থান নেয়। অর্থাৎ ইনফান্তিনোর হাতে ইতিমধ্যেই ১১১টি নিশ্চিত ভোট রয়েছে।
ফলে তাকে হারানো কার্যত অসম্ভব।

উয়েফা যদি শক্তিশালী কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীও দাঁড় করাতে চায়, তবু নির্বাচন শুরু হওয়ার আগেই ফল প্রায় নির্ধারিত। ২০১৯ ও ২০২৩ সালে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়াই পুনর্নির্বাচিত হয়েছিলেন ইনফান্তিনো। ২০২৭ সালে তাকে চ্যালেঞ্জ জানানো তো দূরের কথা, তাকে পরাজিত করতে হলে সত্যিই অসাধারণ কিছু ঘটতে হবে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন