জাতিকে বিভক্ত করে দেশকে কখনো সামনে নেয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের অর্জন ‘কোনো একক ব্যক্তি বা একক রাজনৈতিক দলের নয়, দলমত নির্বিশেষে গণতন্ত্রকামী শান্তিপ্রিয় মানুষের অর্জন’। গতকাল বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’ এবং ‘আমরা জুলাইযোদ্ধা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি’র যৌথ উদ্যোগে জুলাই জাতীয় সম্মেলন-২০২৬ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। মঞ্চের ব্যানারে লেখা ছিল, জুলাই জাতীয় সম্মেলন-২০২৬। এই সম্মেলনের মূল মন্ত্র ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। অনুষ্ঠানে জুলাই বিপ্লবের ওপর প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শহীদ মিরাজ হোসেনের বাবা আবদুর রব মিয়া, শহীদ সেলিমের ভাই উজ্জ্বল হোসেন, জুলাই বিপ্লবের আহত আল মিরাজ এবং আমিনুল ইসলাম ইমনের হাতে ‘স্মৃতি স্মারক’ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত শহীদ পরিবারের সদস্যদের কাছে স্মৃতি স্মারক পৌঁছে দেয়া হয়।
আমাদের লক্ষ্য মানুষের ভাগ্য বদল উল্লেখ করে তিনি বলেন, আসুন আমরা যাদের হারিয়েছি, আপনারা যারা কষ্ট করেছেন, যন্ত্রণা ভোগ করছেন- প্রত্যেকেরই লক্ষ্য ছিল এই দেশ, এই দেশের মানুষ, এদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন। অর্থাৎ মানুষ ও দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন। আজ আমাদের হাতে সেই সুযোগটি এসেছে। আমরা চাই না জাতিকে দ্বিধা-বিভক্ত করে সামনে এগিয়ে যেতে। কারণ জাতিকে বিভক্ত করে দেশকে কখনো সামনে নেয়া যায় না। দেশকে সামনে একমাত্র তখনই নেয়া সম্ভব যদি আমরা সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি সকল সময় বলে থাকি, ৫ই আগস্ট যে অর্জন আমরা করেছি- এই অর্জন কোনো একক ব্যক্তি, কোনো একক রাজনৈতিক দলের অর্জন নয় বরং এই অর্জন দল-মত নির্বিশেষে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি গণতন্ত্রকামী শান্তিপ্রিয় মানুষের। এই অর্জন করতে গিয়ে আপনাদের যারা উপরে বসে আছেন, এই পাশে যারা বসে আছেন, তারা প্রত্যেকে যদি আপনাদের ডান দিকে একটি ব্যানারের দিকে তাকান, সেখানে লেখা আছে- জুলাইয়ের শহীদ হওয়া সর্বকনিষ্ঠ ফুলগুলো। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী ৬৫ জন শিশু সেদিন শহীদ হয়েছিল। তাদের কি কোনো অপরাধ ছিল? কিন্তু দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করতে গিয়ে যেভাবেই হোক এই শিশুগুলো সেদিন জীবন দিয়েছে।
সেই উত্তাল দিনগুলোর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করে গিয়েছেন যে, জাতিসংঘের হিসাবে প্রায় ১৪শ’ মানুষ সেদিন শহীদ হয়েছিলেন। সেই উত্তাল দিনগুলোতে যতটুকু সম্ভব হয়েছে আমার পক্ষে, আমি যতটুকু বিভিন্নভাবে শত বাধা-বিপত্তির মধ্যেও বিভিন্নভাবে খোঁজ করছিলাম আমার নেতাকর্মীদের মাধ্যমে। অনেকে অনেক হিসাব দিয়েছে। কিন্তু আমার হিসাবের মতে শুধু জুলাই আন্দোলনে শহীদ হয়েছে ২ হাজারের মতো মানুষ, ৩০ হাজারের মতো মানুষ বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সার্বিকভাবে।
ফ্যাসিস্ট শাসনামলে দলের নেতাকর্মীদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন, মামলা-হামলার ঘটনা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, আজকে আপনাদের সকলের কাছে একটু সহযোগিতা চাই। যে আপনজনকে আপনারা হারিয়েছেন তারও তো লক্ষ্য ছিল, এই দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন, তারও তো লক্ষ্য ছিল এই দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন। আপনি নিজে যে মানুষটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কোনোভাবে তারও তো লক্ষ্য ছিল, এই দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন, এই দেশের মানুষের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।
আত্মত্যাগের মূল্যায়ন করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি প্রথমেই বলেছি রাষ্ট্র-দেশ তার যথাসাধ্য দিয়ে আপনাদের মূল্যায়নের চেষ্টা করবে, আপনাদের আত্মত্যাগকে মূল্যায়ন করবে। একইসঙ্গে আপনাদের আত্মত্যাগকে যেরকম মূল্যায়ন করবে। আপনাদের বিরুদ্ধে যে অন্যায় হয়েছে, যেভাবে আপনার আপনজনকে হত্যা করা হয়, অবশ্যই তার জন্য যারা দায়ী তাদেরও বিচার হবে এই দেশের আইন অনুযায়ী। তবে আপনারা দেখেছেন, এখানে এই মঞ্চ থেকে আপনাদের স্মরণ করে দেয়ার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, এরই ভেতরে কতোগুলো বিচারকার্য সম্পন্ন হয়েছে।
সরকারপ্রধান বলেন, যে কথাটি আমি আপনাদের সকলের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আপনাদের মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশে শুধু আমার দলেরই নয়, অন্যান্য আরও রাজনৈতিক দল এবং একইসঙ্গে যে সকল অরাজনৈতিক ব্যক্তি যারা ৫ই আগস্ট (ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন আন্দোলন) সফল করেছিলেন, তাদের সকলের কাছে বলতে চাই যে, আসুন আমাদের প্রতি স্বৈরাচার, যেমন বাংলাদেশের লাখো কোটি মানুষের প্রতি স্বৈরাচার যেমন অবিচার করেছিল, বিচারের নামে কারও প্রতি যেন অবিচার না হয়, সে বিষয়টিতেও আমাদের সচেতন থাকতে হবে। কারণ যে আপনজনকে আপনি হারিয়েছেন, সে যদি দেখতে পারে আজকে তার প্রতি যে অন্যায় হয়েছে, সেই অন্যায়ের যে বিচার- সেটি করতে গিয়ে আমরা অবিচার করে ফেলেছি। সেই মানুষটি ওপার থেকে নিশ্চয়ই শান্তি পাবে না। সেইজন্য অবশ্যই আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, আইন অনুযায়ী আইনের যে সকল নিয়ম, সবগুলো বজায় রেখে, দরকার হলে আমরা একটু সময় নেবো। কিন্তু যে অন্যায়কারী, যে হত্যাকারী তার যাতে সঠিক বিচার হয়।
তিনি বলেন, আমি জানি এখানে মা উপস্থিত আছেন, উনি দেখেছেন কীভাবে সন্তানকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, এখানে মা উপস্থিত আছেন, উনি দেখেছেন কীভাবে তার সন্তানকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এখানে ভাই উপস্থিত আছেন, সে দেখেছে কীভাবে তার ভাইকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আপনাদের এই কষ্টের বিপরীতে শুধু একটি কথাই আমি বলতে চাই, দেখুন আপনাদের যে কষ্ট, সেই কষ্টটি আমিও বুঝি, অনুভব করতে পারি। শারীরিকভাবে নির্যাতিত হয়েছেন, যেই নির্যাতনের কষ্ট আপনাদের এখনো স্বৈরাচারের সময় থেকে শুরু করে ৫ই আগস্ট জুলাই আন্দোলনে অনেকেই বহু হাজারো লাখো মানুষ শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। সেই নির্যাতনের যে কষ্ট আপনাদের এখনো ভোগ করে বেড়াতে হচ্ছে, সেরকম শারীরিক কষ্ট বলুন, মানসিক কষ্ট বলুন প্রত্যেকটি কিন্তু আমাকেও ব্যক্তি হিসেবে ভোগ করতে হচ্ছে বা আমাকেও বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। আপনাদের সেই কষ্ট সেদিন মানসিক হোক, সেটি শারীরিক হোক- আমি কিছুটা হলেও অনুভব করতে সক্ষম।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ত্যাগ সেই করতে পারে, যার ত্যাগ করার মতো শক্তি এবং সাহস আছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ার দল, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দল, বাংলাদেশের অস্তিত্বে যারা বিশ্বাস করে, বাংলাদেশের গণতন্ত্রে যারা বিশ্বাস করে- আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে বিশ্বাস করি, এইরকম প্রত্যেকটি মানুষের সেই সাহস এবং সেই শক্তি আছে। যার বলে আমরা ক্ষমতা রাখি যে- দেশকে ঐক্যবদ্ধ করা, যার বলে আমরা সেই শক্তি রাখি দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখার। আসুন আমাদের মূল লক্ষ্য, আমাদের মূল উদ্দেশ্য আমি না, আমরা। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশ, আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেশের জনগণ।
তিনি আরও বলেন, অবশ্যই ত্যাগের মূল্যায়ন হবে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, আরেকজনকে আমরা বঞ্চিত রেখে আমাদের মূল্যায়ন হবে। বরং আজকে সময় এসেছে আমরা দেশকে দিতে পারি? আজকে সময় এসেছে আমরা দেশের জন্য কি করতে পারি? আপনারা যা দাবি করেছেন, আমি যদি, রাষ্ট্র যদি সকল কিছু আপনাদের পূরণ করে, যাকে আপনি হারিয়েছেন তাকে কি আপনি ফিরে পাবেন? আপনি যে আপনজনকে আপনি হারিয়েছেন তাকে ফিরে পাবেন? আপনার যে দৃষ্টিশক্তি আপনি হারিয়েছেন, আপনার শরীরে যে আঘাতটি আছে এখনো, আপনার শরীরের যে আঘাতের চিহ্ন রয়ে গেছে বা যন্ত্রণা রয়েছে- সেটি কি সম্পূর্ণ ঠিক হয়ে যাবে? যাবে না।
সরকারপ্রধান বলেন, আমরা যদি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি, আপনি গর্ব করে বলতে পারবেন, একদিন আপনার পরবর্তী ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আপনি বলতে পারবেন যে, আপনার আপনজনের আত্মত্যাগের বিনিময়, নিজের ত্যাগের বিনিময় এই দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। আপনি যার জন্য কষ্ট করেছেন, আপনার আপনজন যেজন্য আত্মত্যাগ করেছে, সেটি সফলতার দিকে এগিয়ে যাবে। এটি আমি মনে করি আমাদের সকলের আজকের প্রত্যাশা হওয়া উচিত।
আমাদের লক্ষ্য থেকে কেউ বিচ্যুত করতে পারবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য, মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে এই দেশ, এই দেশের জনগণ, এই দেশের মাটি। আসুন আমরা চেষ্টা করি, যাতে কোনো কিছু আর কোনো শক্তি আমাদের এই লক্ষ্য অর্জন থেকে কোনোভাবেই আমাদের বিচ্যুত করতে না পারে। আজকের এই দিনে জুলাই অভ্যুত্থানে, জুলাই শহীদ জুলাইযোদ্ধা এবং বিগত ১৭ বছরের যতজন শহীদ হয়েছে, তাদের প্রতি যদি সম্পূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করতে হয়, তাহলে যার জন্য তারা সেক্রিফাইস করেছেন, সেই লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা- এটি হোক আজকের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের গৃহীত শপথ, এটি হোক আজকের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের গৃহীত প্রতিজ্ঞা।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, গৃহায়ন মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সভাপতি আবু হুরায়রা, কওমী ছাত্র ফোরামের সভাপতি মাওলানা জামিল সিদ্দিকী, আয়োজক সংগঠন ‘আমরা জুলাইযোদ্ধা’র সভাপতি আমিনুল ইসলাম ইমন, সাধারণ সম্পাদক আল মিরাজ, জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটির সভাপতি গোলাম রহমান ও সাধারণ সম্পাদক রবিউল আওয়াল বক্তব্য রাখেন।
এ ছাড়া জুলাই বিপ্লবে শহীদ সন্তানদের নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন শহীদ আবু সাঈদের ভাই আবু হোসেইন, শহীদ শাহরিয়ার হোসেন আলভীর বাবা আবুল হোসেন, শহীদ আবদুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমাতুজ্জোহরা, শহীদ ওয়াসিম আকরামের বাবার শফিউল আলম এবং যাত্রাবাড়ীতে শহীদ মিরাজ হোসেনের বাবা আবদুর রব মিয়া। এ ছাড়াও জুলাই বিপ্লবে আহত শাহিন মালু, সুজন মোল্লা, মিল্লাত হোসেন, আল-আমীন, মেহেদি হাসান মিরাজ, তার আর্তির কথা তুলে ধরেন।
জুলাই জাতীয় সম্মেলনে রাজনীতিবিদ, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সামরিক ও বেসামরিক ঊধর্তন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বন্ধ কারখানা চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল বিকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর প্রক্রিয়াগত অগ্রগতির এক সভায় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন বলে তথ্য দিয়েছেন তার উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু।
তিনি বলেন, আজকে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই নির্দেশনা দেন। এইসব কলকারখানা কীভাবে চালু করা যায়, পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী এ অপ্রয়োজনীয় সময়ক্ষেপণ এড়িয়ে দ্রুত প্রক্রিয়া শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের বলেছেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়েছে যে, অলাভজনক কলকারখানায় বিনিয়োগে অনেক বেসরকারি কোম্পানি আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কোম্পানিগুলো যে ধরনের শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছে, সেগুলোর সম্ভাব্যতা এখন যাচাই করা হবে।
বৈঠকে বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সচিব ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
