ম্যাচের ১০২তম মিনিটে অবিশ্বাস্য গোলে সমতায় ফেরে কেপ ভার্দে। বাঁ প্রান্তে বল পেয়ে সিডনি কাবরাল ভেতরের দিকে কাট করেন। এরপর ডান পায়ে দুর্দান্ত এক বাঁকানো শট নেন, আর বল গিয়ে জড়ায় দূরের ওপরের পোস্টে।
এর চেয়ে নিখুঁত শট আর হতে পারে না!
গোল করার পর উচ্ছ্বাসে ছুটে যান কাবরাল। সোজা গ্যালারিতে লাফ দিয়ে পরিবারের সদস্যদের খুঁজে বের করেন। তার মুখের অভিব্যক্তিই বলে দিচ্ছিল, এমন মুহূর্ত যেন তিনিও বিশ্বাস করতে পারছেন না।
২৮ মিনিটে লিওনেল মেসি লিড এনে দেওয়ার পর আর্জেন্টিনা গোল হজম করে ৫৯ মিনিটে। বাকি সময়ে আর ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা গোল করতে পারেনি। ফলে নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। যার প্রথম মিনিটেই আর্জেন্টিনা লিডে ফেরে।
৯৩ মিনিটে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ।
সেই কর্নার থেকেই বিপদ ডেকে আনে আর্জেন্টিনা। প্রথম পোস্টে একজনের ছোঁয়ায় বল চলে যায় দূরের পোস্টে দাঁড়িয়ে থাকা লিসান্দ্রো মার্তিনেজের কাছে।
একবার বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তিনি এমন ভঙ্গি করেন যেন দূরের কোণে শট নেবেন। কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে বলটি জোরালো বাঁকানো শটে নিজের দিকের ওপরের কোণেই পাঠিয়ে দেন। আবারও এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা।
এর আগে অবিশ্বাস্য ভাবে সমতায় ফেরে কেপ ভার্দে। ৫৯ মিনিটে রায়ান মেন্দেস ডান দিক থেকে বল বাড়িয়ে দেন দেরয় দুয়ার্তের কাছে। আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের নজর এড়িয়ে তিনি ফাঁকা জায়গায় বল পান।
তাঁকে ঠেকাতে দ্রুত এগিয়ে আসেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। কিন্তু দুয়ার্তে দুর্দান্ত এক শটে বল পাঠিয়ে দেন মার্তিনেসের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে। এরপর বল চলে যায় এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে পরাস্ত করে জালে।
অবিশ্বাস্য দৃশ্য! কেপ ভার্দে সমতায় ফিরেছে, আর স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে উল্লাসের বিস্ফোরণ।
লিওনেল মেসির অনন্য নৈপুণ্যে কেপ ভার্দের বিপক্ষে প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে আছে আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের ২৯তম মিনিটে রক্ষণভাগ থেকে লিসান্দ্রো মার্তিনেজ একটি দুর্দান্ত পাস বাড়ান সরাসরি আক্রমণে থাকা মেসির উদ্দেশ্যে। বলটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ক্ষিপ্রতায় ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যান মেসি। প্রথম টাচেই বল আয়ত্তে নিয়ে দ্বিতীয় টাচে গোলরক্ষক ভোজিনহার মাথার ওপর দিয়ে দারুণ এক চিপে বল জালে জড়ান তিনি।
বিস্তারিত আসছে...
