বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ব্রাজিল মানেই আলাদা ইতিহাস। নরওয়ের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে মাঠে নামলেই সেই ইতিহাসে আরও একটি অধ্যায় যোগ করবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি শেষ ষোলো খেলা দল ব্রাজিল। গ্লোবোর গাতো মেস্ত্রের হিসাব অনুযায়ী, নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচটি হবে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ১৩তম শেষ ষোলো ম্যাচ। এই পর্বে এতবার খেলেনি আর কোনো দল। তালিকায় ব্রাজিলের পরেই আছে জার্মানি। তারা শেষ ষোলো খেলেছে ১১ বার। এরপর আর্জেন্টিনা ও স্পেন, দুই দলেরই সংখ্যা ১০। শেষ বত্রিশ পর্বে জাপানকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। এখন পর্যন্ত শেষ ষোলোয় ১২ বার খেলে ১০ বার পরের ধাপে উঠেছে তারা। এই পর্বে ব্রাজিলের বিদায় হয়েছে মাত্র দুবার।
১৯৩৪ বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে এবং ১৯৯০ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে হেরে শেষ ষোলো থেকেই ছিটকে গিয়েছিল ব্রাজিল। শেষ ষোলোয় ব্রাজিলের সবচেয়ে স্মরণীয় লড়াইগুলোর একটি ২০১৪ বিশ্বকাপে চিলির বিপক্ষে। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় শেষে ম্যাচ ছিল ১-১ সমতায়। টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে ব্রাজিল। শেষ ষোলোয় ব্রাজিলের ১০ জয়ের মধ্যে সেটিই একমাত্র পেনাল্টি শুটআউট জয়। ২০২৬ বিশ্বকাপের হিসাব ধরে শেষ ষোলো খেলার তালিকায় ব্রাজিলের ১৩ বারের পর জার্মানি আছে ১১ বার নিয়ে।
আর্জেন্টিনা ও স্পেন আছে ১০ বার করে। জার্মানি ইতোমধ্যে প্যারাগুয়ের কাছে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নিয়েছে। আর্জেন্টিনা কেপ ভার্দের বিপক্ষে জিতলে শেষ ষোলো খেলার সংখ্যায় জার্মানির সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে উঠবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তালিকার পাঁচ নম্বর জায়গাটি ভাগ করে আছে পাঁচটি দল। বেলজিয়াম, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, ইংল্যান্ড ও মেক্সিকো শেষ ষোলো খেলেছে ৯ বার করে। এরপর ইতালি ও সুইজারল্যান্ডের সংখ্যা ৮। যুক্তরাষ্ট্রের শেষ ষোলো খেলার সংখ্যা ৭। এই তালিকায় ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় ওঠা কানাডা নতুন নাম। তারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের এই পর্যায়ে খেলছে।
