বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দখলে তৃণমূল কংগ্রেসের ভবন, আরো কোণঠাসা মমতা

বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দখলে তৃণমূল কংগ্রেসের ভবন, আরো কোণঠাসা মমতা

ফন্ট সাইজ:

কলকাতার ই এম বাইপাসের ধারের মেট্রোপলিটনে তৃণমূল কংগ্রেস ভবনের দখল নিয়েছে ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করা শিবির। এই ভবনের মালিক মমতাপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসকে উঠে যাবার কথা জানিয়েছিলেন। তবে শুক্রবার সন্ধ্যায় মেট্রোপলিটন ভবনে গিয়েছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমরা। বাড়ির মালিকের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। ফলে মমতা বন্দোপাধ্যায় আরো কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন।

মেট্রোপলিটন ভবনের অফিসেই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতারা এখন থেকে বসবেন। ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের কোষাধ্যক্ষ আখরুজ্জামান জানিয়েছেন, এই কার্যালয়ের সঙ্গে তৃণমূলের আবেগ জড়িয়ে আছে। মালিকের সঙ্গে চুক্তিপত্র হয়েছে। এই অফিস থেকেই কাজ হবে।

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক ও দলীয় কোষাগার কাদের জিম্মায় থাকবে তাই নিয়ে কার্যত দুই তরফে দড়ি টানাটানি চলছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ফুলবেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেন ঋতব্রতসহ অন্যান্যরা। দিল্লি থেকে ফিরেই এবার তৃণমূলের আদি কার্যালয় মেট্রোপলিটন ভবনে পৌঁছে যান ঋতব্রতরা। সেখানে বসতেও দেখা গেল তাদের।

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, “আমরাই তৃণমূল, এটাই আমাদের কার্যালয়।”
এদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস আসলে কার- তা নিয়ে সংঘাত যখন চরমে তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরকে পৃথক-পৃথক নোটিশ পাঠাল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

সূত্রের খবর, কমিশনের তরফে বলা হয়েছে যে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক নির্বাচন এবং অনুমোদিত স্বাক্ষরকারী সংক্রান্ত বিষয়ে দু’পক্ষ যেন নিজেদের দাবি পেশ করে।

আগামী সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে তাদের জবাব পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এর পরেই সম্ভবত নির্বাচন কমিশন জানাবে কোন পক্ষ পাবে তৃণমূল কংগ্রেসের স্বত্ত্ব।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন