দীর্ঘ ৩৯ মাস পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ৩৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। উচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহের কারণে বাজার থেকে ডলার কিনছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ফলে রিজার্ভে ইতিবাচক ধারা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার দিনশেষে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ০৫ বিলিয়ন ডলার। সর্বশেষ ২০২২ সালের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে যায়। এরপর ধারাবাহিকভাবে কমতে কমতে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় রিজার্ভ নেমে আসে ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলারে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বাজার থেকে আরও ৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার কেনা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট ৫৪৭ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। ডলার কেনার এ প্রবণতার ফলেই রিজার্ভে বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী বর্তমানে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার। ২০২৩ সালের জুন থেকে বিপিএম৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের হিসাব প্রকাশ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সে সময় রিজার্ভ ছিল ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার। এর আগে দেশের ইতিহাসে ২০২১ সালের আগস্টে প্রথমবারের মতো রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে। তবে অর্থপাচার বৃদ্ধি ও বিভিন্ন অর্থনৈতিক চাপে রিজার্ভ কমতে থাকে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ নেমে দাঁড়ায় ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে।
এদিকে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের ২৩ তারিখ পর্যন্ত প্রবাসীরা ২৫৭ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা গত অর্থবছরের ফেব্রুয়ারির একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৪ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ২০০ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২২ শতাংশ বেশি। উল্লেখ্য, গত অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছিল প্রায় ২৭ শতাংশ।

Amar Bangladesh
৪ মাস আগেGovernment must introdice much more incentives, facilities for foreign reminance senders.